কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় সজিবের মৃত্যু: আরেক আসামি গ্রেফতার

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফেনী
প্রকাশিত: ০৯:৪১ এএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

ফেনীর সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের রতনপুর এলাকার সজিব হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি আজাদকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়ানোর পর সোমবার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের তালতলা এলাকার নিজ বাড়ি আসে আজাদ (১৯)। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্ধ্যায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ফেনী মডেল থানার এসআই রতন কান্তি দে একদল পুলিশ নিয়ে তার বাড়িতে অভিযানে যান। এসময় নিজ ঘর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আজাদ ওই এলাকার ফরিদ আহম্মদের ছেলে।

ওই মামলায় অন্য আসামির ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে আজাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে। এর আগে হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া রিফাত আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। রিফাতের দেওয়া তথ্যানুযায়ী বিরলী গ্রামের সাবেক ইউপি মেম্বার খায়েজ আহম্মদের বাড়ির পাশের কালভার্টের নিচ থেকে হামলায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়।

ফেনী মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার ইমরান হোসেন জানান, তাকে মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) আদালতে পাঠানো হবে।

প্রায় সাড়ে তিন মাস আগে প্রীতি ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দাগনভূঞা উপজেলার নুরুল্লাহপুর গ্রাম ও ফেনী সদর উপজেলার রতনপুর গ্রামের যুবকদের মধ্যে মনোমালিন্যের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে গত ৯ জুলাই পরিকল্পিতভাবে ডেকে সজিব উল্লাহ ও তৌহিদের ওপর হামলা করা হয়। হামলাকারীরা তাদের এলোপাথাড়ি পিটিয়ে ছুরিকাঘাত করেন।

তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে ফেনী জেনারেল হাসপাতাল নেওয়া হয়। সেখানে তৌহিদকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। সজিবের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রোববার বেলা ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় সজিবের বড় ভাই বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখসহ ১০-১২ জনকে আসামি করে ফেনী সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ এজাহারনামীয় দুজনকে গ্রেফতার করে। এদের একজন জামিনে ছাড়া পেয়েছেন। অন্যজন কারাগারে রয়েছেন।

আবদুল্লাহ আল-মামুন/জেএস/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।