সাড়ে ৯ বছর ধরে ত্বকী হত্যার বিচার চাইছি: রাব্বী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৯:১৩ এএম, ০৯ অক্টোবর ২০২২
ত্বকী হত্যা ও বিচারহীনতার সাড়ে নয় বছর উপলক্ষে আলোক প্রজ্বলন করে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট

সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বী বলেন, ‘সাড়ে ৯ বছর ধরে ত্বকী হত্যার বিচার চাইছি। এখনো বিচার শুরু হয়নি। বিচার আটকে থাকার কারণটা হচ্ছে ত্বকীর হত্যাকারীরা সরকার সম্পৃক্ত।’

শনিবার (৮ অক্টোবর) রাতে শহরের আলী আহাম্মদ চুনকা নগর মিলনায়তন প্রাঙ্গণে আলোক প্রজ্বলন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যা ও বিচারহীনতার সাড়ে নয় বছর (১১৫ মাস) উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে এ প্রজ্বলন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

রফিউর রাব্বী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকে বিক্রি করে কোনো স্বৈরশাসক বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। নারায়ণগঞ্জের খুনি ঘাতক পরিবারের পক্ষ নিয়ে সরকার সমস্ত জনগণের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। পুলিশ এবং সরকারের বিভিন্ন সংস্থাকে তারা পেটোয়া বাহিনী বানিয়েছে। এ বাহিনীগুলোকে জনগণের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে। সরকারের পক্ষ নিয়ে তারা গুম করছে, খুন করছে। ভিন্নমতকে দমনের জন্য তারা পৈশাচিকভাবে ভূমিকা পালন করছে।

নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ভবানী শংকর রায়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহীন মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি সারোয়ার, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সভাপতি এ বি সিদ্দিক, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি জিয়াউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মনি সুপান্থ, ন্যাপ জেলা সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন, গণসংহতি আন্দোলন জেলার সমন্বয়ক তরিকুল সুজন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

২০১৩ সালের ৬ মার্চ নগরীর শায়েস্তা খাঁ রোডের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন মেধাবী ছাত্র তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। দুদিন পর ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী শাখা খাল থেকে ত্বকীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর থেকে ত্বকী হত্যার বিচার শুরু ও চিহ্নিত আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে প্রতি মাসের ৮ তারিখ আলোক প্রজ্বলন কর্মসূচি পালন করে আসছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট।

মোবাশ্বির শ্রাবণ/এসজে/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।