চূর্ণ পাথরের বদলে ভারত থেকে আনা হলো ডাস্ট

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশিত: ০১:২০ পিএম, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২
এক মাস ধরে পড়ে আছে ভারত থেকে আনা পাথরের ধুলা

মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চূর্ণ পাথরের বদলে আমদানি করা হয়েছে ধুলা (ডাস্ট)। তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় তাই ছাড়পত্র দেয়নি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ফলে এক মাস স্থলবন্দরেই পড়ে আছে ২ হাজার ৭০০ টন পাথরের ধুলা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৩ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে প্রথমবারের মতো চূর্ণ পাথর ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা হয়। কয়েক দফায় মোট ২ হাজার ৭০০ টন চূর্ণ পাথর আমদানি করে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এফকনস ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড। এ প্রতিষ্ঠানটি আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার কাজের জন্য পাথর আমদানি করেছে।

এগুলো বন্দর থেকে ছাড়ানোর কাজ পায় আখাউড়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাকজিল খলিফা কাজলের মালিকানাধীন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট খলিফা এন্টারপ্রাইজ।

jagonews24

চূর্ণ পাথর প্রথমবার আমদানি হওয়ায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ছাড়পত্র দেওয়ার কথা জানায় কাস্টমস। পরবর্তীতে পরীক্ষা করে জানা যায় মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে পাথরের বদলে ডাস্ট আনা হয়েছে। স্থলবন্দরে আটকে দেওয়া হয় ডাস্টগুলো। এতে প্রতিদিনই বন্দর কর্তৃপক্ষকে মাশুল বাবদ ৩৬ হাজার টাকা দিচ্ছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

মেসার্স খলিফা এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমদানির আগে বলা হয়েছিল সব ধরনের পাথর আনার অনুমতি দেওয়া হবে। এখন বলা হচ্ছে এ ধরনের পাথরের অনুমতি নেই। এখন পাথর আটকে থাকায় আমরা লোকসানের মুখে পড়েছি।’

তবে আখাউড়া শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, তারা চূর্ণ পাথর আমদানির কথা ছিল। কিন্তু তদন্ত আমদানি করা পণ্য ডাস্ট হিসেবে পেয়েছি। এ ধরনের পণ্য এ স্থলবন্দর দিয়ে আমদানির অনুমতি নেই। তাদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যথাযথ উত্তর না পাওয়া গেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এসজে/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।