বাঘা পৌর নির্বাচন

দিন গড়িয়ে রাতেও চলছে ভোটগ্রহণ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি রাজশাহী
প্রকাশিত: ০৭:৫৪ পিএম, ২৯ ডিসেম্বর ২০২২

রাজশাহীর বাঘা পৌরসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও বিলম্ব হওয়ায় তা গড়িয়েছে রাতে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত গাঁওপাড়া ও মুর্শেদপুর কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন অনেকেই। ভোট দিতে না পেরে অনেকে ফিরেও গেছেন।

বাঘা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও বাঘা হযরত শাহ আবদুল হামিদ দানিশ মান্দ ফাজিল মাদরাসা—এই দুই কেন্দ্রে ভোট দিতে না পেরে ১৪ ভোটার ফিরে গেছেন।

বাঘা হযরত শাহ আবদুল হামিদ দানিশ মান্দ ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মুনসুর আলী জানান, ইভিএমের সেন্সর ঠিকমতো কাজ না করা, আঙুলের ছাপ না মেলা এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে ভোটার তালিকার নম্বরের মিল না থাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোটগ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। তবে নির্ধারিত সময়ে যারা কেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন তাদের ভোট নেওয়া হয়েছে।

দিন গড়িয়ে রাতেও চলছে ভোটগ্রহণ

বাঘা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত তিন হাজার ৫৬ জন ভোটারের মধ্যে দুই হাজার ১০০টি ভোট পড়েছে। বর্তমানে সেখানে ভোটগ্রহণ চলছে।

এ নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন, ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ১৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দিন গড়িয়ে রাতেও চলছে ভোটগ্রহণ

মেয়র পদে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও প্যানেল মেয়র শাহিনুর রহমান পিন্টু (নৌকা), জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক মেয়র আক্কাছ আলী (জগ), পৌর জামায়াতের আমির সহকারী অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম (নারিকেল গাছ), পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন (কম্পিউটার) এবং ইসরাফিল বিশ্বাস (মোবাইল ফোন) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

উপজেলা নির্বাচন ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মুজিবুল আলম বলেন, ১১টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩১ হাজার ৬৬৯ জন। এরমধ্যে পুরুষ ১৫ হাজার ৮১২ এবং নারী ১৫ হাজার ৮৫৭ জন।

কিছু কেন্দ্রে যান্ত্রিক ত্রুটি ও হাতের ছাপ না মেলায় কেউ কেউ ভোট দিতে পারেননি বলে জানান তিনি।

এসআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।