মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দোকান ম্যানেজারকে হত্যা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গাজীপুর
প্রকাশিত: ০৭:১২ পিএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় এক ফার্নিচার দোকানের ম্যানেজারকে হত্যার ঘটনায় আট বছর পর তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেফতারদের মধ্যে দুইজন এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা আদালতে স্বীকার করেছেন।

গ্রেফতাররা হলেন, টঙ্গীর এরশাদ নগর এলাকার আলী আকবরের ছেলে মো. আজিজুল ইসলাম (২৮), টঙ্গী ইসলামপুর দত্তপাড়া এলাকার আ. খালেক সরদারের ছেলে মো. হুমায়ন কবির (৪০) ও টঙ্গী দত্তপাড়া হাউজ বিল্ডিং এলাকার আ. হালিম চৌধুরীর ছেলে মো. জাফর ইকবাল (৪৩)।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মো. হাফিজুর রহমান জানান, টঙ্গী থানার হাসান লেন দত্তপাড়ায় মাঈন উদ্দিন মিয়ার ফার্নিচার কারখানায় ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করতেন মো. হাসান (৪৫)। তিনি পিরোজপুরের সরূপকাঠি থানার সুটিয়াকাঠি গ্রামের আ. আউয়াল তালুকদারের ছেলে।

২০১৫ সালের ২৯ জানুয়ারি হাসানের স্বজনরা তাকে না পেয়ে ফার্নিচার কারখানার মালিককে জানান। তারা মালিকসহ কারখানার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসানের মরদেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. বাবু তালুকদার অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে টঙ্গী থানায় মামলা করেন। মামলাটি থানা পুলিশ তিন বছর তদন্ত করে। পরে সিআইডি প্রায় আড়াই বছর তদন্ত করে কোনো ক্লু উদঘাটন করতে পারেনি। তারপর আদালত পিবিআইকে মামলা তদন্তের দায়িত্ব দেন।

এ বিষয়ে পিবিআই পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিরা মাদকসেবী ও মাদক বিক্রি করেন। কারখানার ভেতর মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তারা হাসানকে হাতুড়ি, স্ক্রু-ড্রাইভার, বাটাল দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেন। গ্রেফতার তিনজনের মধ্যে আসামি আজিজুল ও রোমান এ হত্যাকাণ্ডে নিজেদের ও অন্য জড়িতদের ভূমিকা বিস্তারিত বর্ণনা করে মঙ্গলবার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মো. আমিনুল ইসলাম/এমআরআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।