দুবাই প্রবাসী সোহেল হত্যায় স্ত্রী-ভাতিজা গ্রেফতার

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি যশোর
প্রকাশিত: ০৫:৪২ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০২৩

যশোরে দুবাই প্রবাসী সোহেল রানা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে সোহেল রানার স্ত্রী খুশি মিম ও সোহেলের ভাইয়ের ছেলে জিসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত খুশির প্রেমিক ফারাবি এখনো পলাতক।

গত বুধবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় যশোর সদর উপজেলার চান্দুটিয়া-মঠবাড়ি গ্রামের মাঝে বুকভরা বাওড়ের পাশে দুবাই প্রবাসী সোহেল রানাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি সদর উপজেলার হালসা গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে।

গ্রেফতার দুইজন হলেন সোহেল রানার স্ত্রী খুশি মিম (২২) ও সোহেলের ভাইয়ের ছেলে হালসা বিশ্বাসপাড়ার জিয়াদুল ইসলাম ওরফে জিসান (১৯)।

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, চাচা সোহেল রানার সঙ্গে জিসানের পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। অন্যদিকে চাচি খুশি ও তার প্রেমিক ফারাবির সঙ্গেও সোহেলের শত্রুতা চলছিল। এই সুযোগে জিসান প্রতিশোধ নিতে চাচি ও তার প্রেমিক ফারাবির সঙ্গে আঁতাত করেন। তিনজন মিলে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেন প্রবাসী সোহেলকে।

এর আগে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শুক্রবার নিহতের ভাই শাকিল খান খুশি, জিসান ও ফারাবিকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার পরে যশোর কোতোয়ালি থানা ও জেলা ডিবি পুলিশের সদস্যরা খুশি ও জিসানকে গ্রেফতার করেন। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিসান হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

জিসান জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী ১২ এপ্রিল সন্ধ্যা সাতটার পর চাচা সোহেলকে শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যাওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে তোলেন জিসান। এসময় বিষয়টি জানিয়ে দেন ফারাবিকে। পথে মঠবাড়ির রাস্তায় নিরিবিলি এলাকায় ওৎ পেতে ছিলেন ফারাবি ও তার লোকজন। ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ফারাবিসহ তার সহযোগীরা সোহেলের ওপর হামলা চালান। ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে পালিয়ে যান।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম বলেন, মামলার পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে খুশি ও জিসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফারাবিকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

মিলন রহমান/এমআরআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।