ছাত্রলীগের এক নেতাকে হামলার অভিযোগে আরেক নেতাকে শোকজ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ০৩:৩০ এএম, ১৩ আগস্ট ২০২৩
উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল জবিউল্লাহ

ফরিদপুরের সালথা উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফিরোজ খান রাজের (২৬) ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল জবিউল্লাহকে শোকজ করেছে জেলা ছাত্রলীগ।

শনিবার (১২ আগস্ট) বিকেলে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক শাশ্বত চক্রবর্তী অর্ঘ্য সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

শোকজে উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা ছাত্রলীগের এক জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে, সালথা উপজেলা শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল জবিউল্লাহর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠন পরিপন্থি কার্যক্রমে লিপ্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অতএব, ইসমাইল জবিউল্লাহ কেন আপনার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার কারণ লিখিতভাবে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে জমা দিতে হবে। সশরীরে উপস্থিত হয়ে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের দপ্তর সেলে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া গট্টি বাজারে সালথা উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফিরোজ খান রাজের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

ফিরোজ খান রাজ জানান, সালথা থেকে ফরিদপুরের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। পথে এ অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটে। উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল জবিউল্লাহের নেতৃত্বে এ অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। ফিরোজ খান উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের আগুলদিয়া গ্রামের মমরেজ খানের ছেলে। অভিযুক্ত ইসমাইল জবিউল্লাহ উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বড় বালিয়া গ্রামের মনি মোল্লার ছেলে।

jagonews24.com

এ বিষয়ে ফিরোজ খান রাজ বলেন, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রিয়ান ভাইয়ের কবুতরের জন্য ধান কিনতে শুক্রবার সন্ধ্যায় বালিয়া বাজারে গিয়েছিলাম। ইজিবাইকে ধান উঠানোর পরে ফ্লেক্সিলোডের দোকানে গিয়ে বিকাশ নম্বর থেকে টাকা উঠাতে গেলে হঠাৎ পেছন থেকে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল জবিউল্লাহসহ ১৫ থেকে ২০ জন আমার ওপর হামলা করেন। এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি, থাপ্পড় মারতে থাকেন তারা। এসময় স্থানীয় লোকজন তাদের প্রতিহত করেন।

এ ব্যাপারে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ তামজিদুল রশিদ চৌধুরী রিয়ান বলেন, সালথা উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল জবিউল্লাহর বিরুদ্ধে একই উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফিরোজ খান রাজের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে। সন্তোষজনক উত্তর বা জবাব না পেলে প্রয়োজনে ইসমাইল জবিউল্লাহকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হবে।

এন কে বি নয়ন/কেএসআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।