‘আমি বিএনপি করায় বার বার হামলা চালানো হচ্ছে’
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ২ নম্বর ওয়ার্ডস্থ মাদরাসা রোড সংলগ্ন কাউন্সিলরের কার্যালয়ে এ হামলা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় অর্ধশতাধিক লোকজন এসে হামলা চালান সেখানে। হামলাকারীদের মুখে বলতে শোনা যাচ্ছিল, বিএনপির কোনো অস্তিত্ব এখানে থাকবে না।

কাউন্সিলরের কার্যালয়ের সচিব মহিউদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, সন্ধ্যায় হঠাৎ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম ও তার ছেলে সীমান্তসহ ৩৫-৪০ জন কিশোর এসে তাদের অফিসে হামলা চালান। অফিসের কর্তব্যরত সহকারী সচিব তুহিনকে তুলে নিয়ে যান এবং অফিসের পিয়নকে মারধর করে অফিসের মালামাল ভাঙচুর করা হয়। ছাত্রলীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা ছিলেন বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে কাউন্সিলর ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, হিংসামূলক আমার কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম ও তার ছেলের সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা। আমি বিএনপি করায় বার বার হামলা চালানো হচ্ছে। আজ আমার অফিসের লোকজনকে মারধর করে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। এর আগেও দুবার আমার বাসায় পেট্রল বোমা ও ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়েছিল।

বিএনপির এ নেতার অভিযোগ, এ ঘটনার জন্য আমি সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) একাধিকবার ফোন করেছি। কিন্তু তিনি রিসিভ করেনি। এক কথায়, আমি পুলিশি কোনো সাহায্য পাচ্ছি না।
হামলার বিষয়ে নাসিক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক জাগো নিউজকে বলেন, কাউন্সিলর ইকবাল তার রাজনৈতিক ফায়দা নিতে আমার বিরুদ্ধে এসব কথা বলছে। আমার সঙ্গে সিটি করপোরেশনের নির্বাচন নিয়ে তার বিরোধ ছিল। ওইটাকে পুঁজি হিসেবে কাজে লাগাচ্ছেন তিনি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট কথা। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। তবে হামলার কথা জানতে পেরেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে।
রাশেদুল ইসলাম রাজু/এসজে/জেআইএম