ঠাকুরগাঁওয়ে ফেসবুকে নির্যাতনের ফুটেজ : গ্রেফতার ১


প্রকাশিত: ০৭:৫৮ এএম, ২৮ মার্চ ২০১৬

দেড় বছর আগে ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এক ছাত্রের নির্যাতনের দৃশ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ পুলিশ প্রশাসনে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। পরে থানায় মামলা দায়ের ভিত্তিতেই একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।  

জানা গেছে, শনিবার রাতে নির্যাতনের শিকার ছাত্র শামীম সরকার বাদী হয়ে সহপাঠি মেহেদী হাসান, শশি জিৎ রায়, মেজবাউল হাসান দুর্জয়, আবুল কালাম আজাদ, মাজহারুল ইসলাম, আবু হানিফা, রাশেদুজ্জামান রাশেদ, আব্দুল জলিলকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। রোববার রাতে মামলার অন্যতম আসামি মেহেদী হাসানকে ঢাকায় আটক করে সোমবার সকালে ঠাকুরগাঁও থানায় নিয়ে আসা হয়।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, ২০১০ সালে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আব্দুল খালেক সরকারের ছেলে শামীম সরকার ফুড বিভাগে ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন। ২০১৪ সালে ২৯ নভেম্বর সকাল ১১টায় সহপাঠি মেহেদী ও শশী জিৎ জরুরি কথা আছে বলে তাকে কলেজের নিচতলার ড্রয়িং রুমে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে থাকা অন্য সহপাঠিরা কাঠ ও ক্রিকেটের স্টাম্প দিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর করে। তাদের অমানসিক নির্যাতনে শামীম সরকার রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে লুটিয়ে পড়লে মেহেদী ক্রীড়া সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতির জন্য সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়। এরপর ছেড়ে দেয়। তাদের হত্যার হুমকিতে আর মুখ খোলেননি শামীম সরকার।

প্রায় দেড় বছর আগে ওই নির্যাতনের ভিডিও’র দৃশ্য গত ২৫ মার্চ ইউটিউব থেকে ফেসবুকে আপলোড করা হয়। এতে শামীম সরকারের পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও মানহানি করা হয়েছে এবং  তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছেন বলে এই মামলা করেন।

ঠাকুরগাঁও থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, রোববার মামলার প্রধান আসামিকে ঢাকায় গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার তাকে ঠাকুরগাঁওয়ে আনা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

রবিউল এহ্সান রিপন/এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।