যশোরে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে আহত ২০


প্রকাশিত: ০৪:০৪ পিএম, ০৫ এপ্রিল ২০১৬

যশোরে মঙ্গলবার রাতে ব্যাপক কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টি হয়েছে। এতে অন্তত ২০জন আহত ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। গাছপালা ভেঙে বাড়ি ঘরের ক্ষয়-ক্ষতি ছাড়াও ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

শহরের নাজিরশংকরপুর এলাকায় নির্মাণাধীন হাইটেক সফটওয়্যার পার্কের ক্রেন ভেঙে পড়ে আট শ্রমিক আহত হয়েছেন। গাছ ভেঙে পড়ায় যশোর-খুলনা ও যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। জেলার অধিকাংশ এলাকাই এখন বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে হঠাৎ করে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। এর সঙ্গে শুরু হয় শিলাবৃষ্টি। ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। বিদ্যুৎ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আহত ২০ জন যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ঝড়ের পর রাতেই যশোরের জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর আহতদের দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান।

ঝড়ের দাপটে শহরের নাজিরশংকরপুর এলাকায় নির্মাণাধীন হাইটেক সফটওয়্যার পার্কের ক্রেন ভেঙে শ্রমিকদের থাকার জন্য নির্মিত অস্থায়ী সেডের ওপরে পড়ে। এতে আট শ্রমিক আহত হন। তাদের উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া শহরের প্রধান প্রধান মোড়ে নির্মিত রাজনৈতিক সংগঠনের তোরণগুলোও ভেঙে পড়েছে।

ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ভেঙে যাওয়া তোরণ অপসারণ করেছে। ঝড়ে যশোর-খুলনা মহাসড়কের বেঙ্গল জুটমিলের সামনে একটি বড় গাছ ভেঙে পড়েছে।

অপরদিকে, যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের মালঞ্চিতেও একটি গাছ ভেঙে পড়েছে। এ কারণে এ দুই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা জানিয়েছেন, এই ঝড়ে বোরো ক্ষেতের ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মিলন রহমান/এআরএ/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।