শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের মহাপরিদর্শক সৈয়দ আহমেদ বলেছেন, রানা প্লাজা ধসের পর আমাদের এমআরজি শিল্পেও ধস নামে। আরএমজি শিল্প থেকে আমাদের আয় হয় ৮২ ভাগ। কিন্তু রানা প্লাজা ধসের পর ক্রেতাদের আমাদের দিকে থেকে চোখ ফিরিয়ে নেয়। তখন আরএমজি শিল্পে ব্যাপক ধস নামে।
তিনি বলেন, ক্রেতাদের অভিযোগ ছিল আমরা শ্রমিকদের নিরাপত্তা দিতে পারছি না। আমাদের পরিদর্শন ব্যবস্থা দুর্বল। যে কারণে সরকার রানা প্লাজা ধসের ৭৭ দিনের মাথায় ২০০৬ সালের শ্রম আইন সংশোধন করে ৭৮টি ধারা পরিবর্তন করেছে। যেখানে শ্রমিকদের জন্য ছিল নিরাপত্তা ও শ্রমিকের নিরাপত্তার জন্য কি কি করণীয়। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শক কার্যালয় থেকে অধিদফতরে রূপান্তরিত করা হয়েছে।
রোববার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নারায়ণগঞ্জে হোসিয়ারি কারখানাসমূহে কর্ম-পরিবেশ ও পেশাগত স্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের হোসিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলো ঝুঁকিপূর্ণ দেখা গিয়েছিল। কারণ এর আগে ভূমিকম্পে তিনটি ভবন সিলগালা করেছিল জেলা প্রশাসন। যদিও পরে সেগুলো পরিদর্শন করে দেখা গেছে, আপাতত কোনো সমস্যা হবে না। তবে এখনই আমাদের শ্রমিকের নিরাপত্তার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। মনে রাখতে হবে শ্রমিকের জীবন মুূল্যবান। এখানে হোসিয়ারি ব্যবসা হচ্ছে অনেক পুরানো ভবনে। তাই শ্রমিক ও মালিকের নিরাপদ কর্মক্ষেত্রে নিশ্চিত করতে হবে।
জেলা প্রশাসক আনিছুর রহমান মিঞার সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ শিল্প পুলিশের পুলিশের পরিচালক শাহনাজ শামীনুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গাউছুল আজম, বিকেএমএই এর সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, পরিচালক মনঞ্জুরুল হক প্রমুখ।
সাহাদত হোসেন/এআরএ/পিআর