৬ দিন ধরে অচল মংলা বন্দর


প্রকাশিত: ০১:১০ পিএম, ২৭ এপ্রিল ২০১৬

বেতন-ভাতা বৃদ্ধিসহ ১৫ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন ডাকা কর্মবিরতির ফলে মংলা বন্দর প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। দেশের দ্বিতীয় সমুদ্র মংলায় বর্তমানে গ্যাস, ক্লিংকার, মেশিনারিজ ও কয়লাবাহী ছয়টি মাদার ভ্যাসেল অবস্থান করছে।

শ্রমিকদের কর্মবিরতির ফলে কার্যত ৬ দিন ধরে মংলা বন্দর অচল রয়েছে। বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্য জাহাজ খালাস না হওয়ায় আমদানির খরচ বেড়েই চলছে। জাহাজ ভাড়া বাবদ আমদারিকারকদের প্রতিদিন অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে পাঁচ হাজার ডলার করে। শ্রমিক ধর্মঘটের কারণে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ছে ব্যবসায়ীরা।

গত ২০ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন সারা দেশে নূন্যতম ১০ হাজার টাকা মজুরিসহ ১৫ দফার দাবিতে কর্মবিরতি শুরু করে। কর্মবিরতির ফলে মংলা বন্দরের অবস্থানরত শ্রমিকরা সব ধরনের পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ রেখে প্রায় প্রতিদিনই দাবি আদায়ের জন্য প্রতিবাদ সমাবেশ করছে।

এদিকে, ২২ এপ্রিল থেকে মংলা লঞ্চ শ্রমিকরা পুনরায় কাজে যোগ দিলেও দাবি আদায়ের জন্য অনড় রযেছেন মংলা নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন।

মংলা বন্দরের শ্রমিকদের ধর্মঘটের ফলে গত ৬ দিন ধরে বন্দরে অবস্থানরত মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য খালাস ও নদী পথে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে পরিবহন বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে আমদানিকারক-ব্যবসায়ীরা। তারা দ্রুত এ সমস্যার সমাধান চান।

বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন মংলা শাখার কার্যকরী সভাপতি আনোয়ার হোসেন চেীধুরীর কাছে কর্মবিরতির বিষয়ে জানাতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যহত থাকবে। অতীতে শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে আলোচনা হলেও কার্যকর করা হয়নি, যা এক প্রতারণার শামিল, এ অবস্থা চলতে পারে না। তাই তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই শ্রমিকদের নায্য দাবি নূন্যতম ১০ হাজার টাকা মজুরি আদায়ের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন।

তিনি আরো জানান, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের নায্য দাবি মেনে নেয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ঘোষণার পরই নৌযান শ্রমিকরা কাজে যোগ দেবে।

শওকত আলী বাবু/এআরএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।