দুবাইয়ে ফুড অ্যান্ড বেভারেজ মেলা গালফুডে দেশের ৩৪ প্রতিষ্ঠান

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৪৭ এএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ, ছবি: সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাদ্য ও পানীয় (ফুড অ্যান্ড বেভারেজ) বিষয়ক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ‘গালফুড ২০২৬’-এ অংশ নিয়েছে দেশের ৩৪টি প্রতিষ্ঠান। এ মেলায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের খাদ্যপণ্যের রপ্তানি আরও গতিশীল হবে। মেলায় অংশ নিতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থায়ন করেছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুবাইয়ে গালফুডের ৩১তম আসর শুরু হয়েছে। মেলা চলবে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত। দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার (ডিডব্লিউটিসি) ও দুবাই এক্সিবিশন সেন্টার (ডিইসি), এক্সপো সিটি—এই দুই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পাঁচ দিনের এই মেলা। এতে বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশের আট হাজার ৫০০-এর বেশি শীর্ষস্থানীয় খাদ্য ও পানীয় উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী, পরিবেশক, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাসহ নীতিনির্ধারকরা অংশ নিয়েছেন।

মেলার উদ্বোধনী দিনে ‘বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন’-এর উদ্বোধন করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক (মেলা) মো. ওয়ারেস হোসেন, কমার্শিয়াল কাউন্সেলর আশীষ কুমার সরকার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. আব্দুল কাদেরসহ বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তারা।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুবাই এক্সিবিশন সেন্টারের সাউথ হল-১২-এ অবস্থিত বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে দেশের ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের ৭২ জন প্রদর্শক অংশ নিচ্ছেন। এখানে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, হিমায়িত খাদ্য, স্ন্যাকস, মশলা, চাল, বিভিন্ন ধরনের পানীয়, কৃষিভিত্তিক দেশীয় পণ্য ও মূল্য সংযোজিত খাদ্যপণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে।

মেলায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক ক্রেতা, পরিবেশক ও বিপণনকারীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় ও বি২বি নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে নতুন ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ পাচ্ছে। এতে বিশেষ করে কৃষিভিত্তিক ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারের নীতিগত সহায়তা, উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ, প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদন খরচ ও আন্তর্জাতিক মান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষিজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। বিশ্ববাজারে হালাল ও হিমায়িত খাদ্যপণ্যের চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে গালফুড বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

ইএইচটি/এমএমএআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।