সাপ্লিমেন্ট পণ্যের এলসি খুলতে লাগবে ঔষধ প্রশাসনের অনুমোদন
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পূর্বানুমোদন বা নিবন্ধন সনদ ছাড়া ডায়েটারি ও নিউট্রিশনাল সাপ্লিমেন্ট জাতীয় পণ্যের জন্য আর এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলতে পারবে না বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। একই সঙ্গে টেলিগ্রাফিক ট্রান্সফার (টিটি) মাধ্যমে এসব পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার (২৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকও সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য এক সার্কুলার জারি করে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩’ অনুযায়ী ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট, হারবাল সাপ্লিমেন্ট, নিউট্রিশনাল সাপ্লিমেন্ট, মেডিকেল নিউট্রিশন, থেরাপিউটিক নিউট্রিশন এবং সম্পূরক পথ্যজাতীয় পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, বিক্রি ও বিতরণের ক্ষেত্রে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নিবন্ধন বা পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক। এ বিধান অমান্য করে কোনো পণ্য আমদানি বা বাজারজাত করা হলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
পরীক্ষা ছাড়াই অন্য ব্যাংকের উচ্চ পদে যেতে পারবেন ব্যাংকাররা
জ্বালানি অনিশ্চয়তায় শিল্পোন্নয়ন ও বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, কিছু আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় নিবন্ধন বা অনুমোদন ছাড়াই বিদেশ থেকে বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট পণ্য আমদানি করেছে। পরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় এসব পণ্যের খালাস বন্ধ রাখে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকরা হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে আদালত পণ্য খালাসের নির্দেশ দেন। পরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আপিল বিভাগ আইন অনুযায়ী নির্ধারিত শর্তে পণ্য খালাসের নির্দেশনা দেন।
এ অবস্থায় জনস্বার্থ রক্ষা এবং আইন যথাযথভাবে কার্যকর করতে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে অনুরোধ জানানো হয়। এতে বলা হয়, নিবন্ধন সনদ বা পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো সাপ্লিমেন্ট পণ্যের আমদানির জন্য এলসি বা টিটি খোলা যাবে না।
ইএআর/কেএসআর