সিআইবি’র আধুনিকায়নে অর্থ বরাদ্দ পাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক


প্রকাশিত: ০৫:১৫ এএম, ১৬ এপ্রিল ২০১৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্যভাণ্ডার বা ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) আধুনিকায়নে অর্থ বরাদ্দ পাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা গেছে, সিআইবির সফটওয়্যার সঠিকভাবে কাজ না করায় ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের চাহিদানুযায়ী সনদ দিতে পারছে না। ফলে গ্রাহকদের ব্যাংক ঋণ পেতেও দেরি হচ্ছে। এছাড়া বড় গ্রাহকদের ঋণের সমুদয় তথ্যও সিআইবির সনদে আসছে না।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, এ ব্যাপারে কাজ হচ্ছে। অচিরেই এ সমস্যা কেটে যাবে। সিআইবিকে আরও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আর্থিক খাত সহায়তা প্রকল্পের আওতায় সিআইবিকে আধুনিকায়নের জন্যও অর্থ বরাদ্দ থাকবে।

সূত্র জানায়, ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে সিআইবি সনদ নিতে হয়। এ সনদ ছাড়া কোনো গ্রাহক ঋণ নিতে পারেন না। সিআইবিকে অনলাইন করায় ব্যাংকগুলো এখন তাদের প্রধান কার্যালয় থেকেই অনলাইনে সিআইবির তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এ প্রক্রিয়ায় সিআইবির তথ্য সংগ্রহ করতে তিন থেকে সর্বোচ্চ ৭ দিন সময় লাগে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানা বলেন, সিআইবির সফটওয়্যারে কোনো সমস্যা নেই। নিয়মিতভাবেই কাজ হচ্ছে। তবে সিআইবিকে আমরা আরও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। সিআইবিকে আধুনিকায়ন করে প্রত্যেক ঋণগ্রহীতার জন্য আলাদা নম্বর দেয়া হবে। ওই নম্বরে গ্রাহকের ঋণের সমুদয় তথ্য থাকবে।

সূত্র জানায়, ঋণগ্রহীতাকে শনাক্ত করতে জাতীয় পরিচয়পত্র, অন্যান্য পরিচয়পত্র, জন্ম তারিখ, কর শনাক্তকরণ নম্বর, যে জেলায় জন্ম এসব তথ্য দরকার। সঠিকভাবে গ্রাহককে শনাক্ত করতে এসব তথ্য সংযোজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সিআইবিকে এমনভাবে পরিবর্তন করা যাচ্ছে যাতে কোনো গ্রাহক খেলাপি কিনা তা এক নজর দেখেই জানা যাবে।

প্রচলিত নিয়মানুযায়ী তিনটি ধাপে সিআইবিতে ব্যাংকগুলো খেলাপিদের অনুসন্ধান করে। প্রথমে ব্যক্তির নাম দিয়ে পরে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক, তারপরে পরিচালক বা কোম্পানিভিত্তিক। ইতিমধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ১২ ডিজিটের ই-টিন বা কর শনাক্তকরণ নম্বর চালু করেছে। কিন্তু এটি আগে সিআইবিতে দিয়ে অনুসন্ধান করার সুযোগ ছিল না। গত জানুয়ারি থেকে সিআইবিতে ই-টিন নম্বর দেয়ার পদ্ধতি চালু হয়েছে।

অনেক ক্ষেত্রে ঋণের গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র নেয়া হয়। কিন্তু এটি সিআইবিতে দিয়ে অনুসন্ধান করার সুযোগ নেই। বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্র ১৭ ডিজিটের। এটি দিয়েও আগে অনুসন্ধান করা যেত না। এখন থেকে এটি চালু করা হয়েছে।

এএইচ/এআরএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।