বেড়েছে পেঁয়াজের দাম


প্রকাশিত: ০৬:৫৭ এএম, ০৮ মে ২০১৫

রাজধানীর খুচরা বাজারে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ৩ থেকে ৬ টাকা। মৌসুমী সবজির দাম কিছুটা কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে মাছ-মাংসসহ অন্যান্য মুদিপণ্যের দাম।

পাইকারি বাজারে ২ থেকে ৪ টাকা পেঁয়াজের দাম বেশি হওয়ায় খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। মৌসুমী সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় সব সবজি কেজি প্রতি ৫-১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার রাজধানীর মুগদা, হাতিরপুল, খিলগাঁও, রামপুরাসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচাবাজারে মাছ, মাংস, পেঁয়াজ ও সবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও ক্রেতাদের বাড়তি দামেই কিনতে হচ্ছে বেশিভাগ খাদ্যপণ্য।

বিভিন্ন বাজারে দেশি পেঁয়াজ গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৩২-৩৬ টাকা দরে। চলতি সপ্তাহে তা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৬-৪২ টাকা দরে। ভারতীয় পেঁয়াজও কেজি প্রতি ৩-৪ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৪-৩৮ টাকায়।

বাজারগুলোতে প্রতি কেজি সাদা আলু ১৮-২০ ও লাল আলু ২০-২২ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, করলা ২৪-৩০ টাকা, পটল ৪০-৪৬ টাকা, ঝিঙ্গে ৩২ টাকা, চিচিঙ্গা ৩২-৩৬ টাকা, টমেটো ৩৮-৪২ টাকা, গাজর ২৪-৩০ টাকা, মূলা ১৮-২০ টাকা, শশা ২৪-৩২ টাকা, পেঁপে ২৪-২৮ টাকা, মিষ্টি কুমড়ার পিচ ১৫-২০ টাকা, লাউ ৩০-৪০ টাকা, কুমড়া প্রতিটি ২০-৩০ টাকা, বরবটি ৫০-৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৩৫-৪০ টাকা, কচুরলতি ৪০-৪৫ টাকা, মটরশুটি ৮০-১০০ টাকা, কাঁচামরিচ ৩৫-৪০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ২৪-৩২ টাকা, লেবু প্রতি হালি প্রকার বেধে ২০-৩০ টাকা দরে বিক্রি করছে।

প্রতি আঁটি লাউ শাক ১৫-২০ টাকা, লাল শাক ও সবুজ শাক ১০ টাকা, পালং শাক ১০ টাকা, পুঁই শাক ১৫ টাকা ও ডাটা শাক ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্যাপসিকাম আকারভেদে প্রতিটি ২০-৩৫ টাকা ও ব্রোকলি প্রতিটি ২৫-৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

প্রকার বেধে কেজি প্রতি দেশি রসুন কেজি প্রতি ৯৬-১০০ টাকা, মোটা রসুন ৯০-৯৫ টাকা ও এক দানা রসুন ১৬০ টাকা, আদা ১১০-১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাংসর বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি করছে ৩৭০- ৩৮০ টাকা, খাসির মাংস বিক্রি করছে ৫৮০-৬০০ টাকায়। কেজি প্রতি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায় ও লেয়ার ১৮০ টাকা, কক মুরগি ২২০-২৫০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৩০-৩৫০ টাকায়।

ডিমের দামও গত সপ্তাহের দামে অপরিবর্তিত রয়েছে। ফার্মের লাল ডিম প্রতি হালি ২৮-৩০ টাকা এবং দেশি মুরগির ডিম ৪২-৪৪ টাকা ও হাঁসের ডিম ৪২-৪৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর খুচরা মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের দামে অপরিবর্তিত রয়েছে সব ধরণের মাছের দর। প্রতি কেজি রুই দেশি ৩০০-৩৫০ টাকা, কাতলা ৩২০-৩৬০ টাকা, তেলাপিয়া ১৬০-২৫০, সিলভার কার্প ১৮০-২০০ টাকা, আইড় ৪৫০-৮০০ টাকা, গলদা চিংড়ি আকার বেধে ৬০০-১২০০ টাকা, পুঁটি ২০০-২২০ টাকা, পোয়া ৪০০-৪৫০ টাকা, মলা ৩২০-৩৫০ টাকা, পাবদা ৫০০-৬০০ টাকা, বোয়াল ৪৫০-৫৫০ টাকা, শিং আকার বেধে ৫০০-৮০০, দেশি মাগুর ৬৫০-৭০০ টাকা, শোল মাছ ৪০০-৬০০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০-২০০ টাকা, চাষের কৈ ২২০-২৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৬০০ গ্রামের ইলিশ মাছ বিক্রি করছে ৭০০-৮০০ টাকায়। রাজধানীর খোলাবাজারে লিটার প্রতি বোতলজাত তেল বিক্রি হচ্ছে ১০৪-১১০ টাকায়।

রাজধানীর খুচরা চালের বাজারে প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি করছে ৩৫-৩৭ টাকা দরে। নতুন মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৪২-৪৫ টাকায় এবং পুরাতন চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮-৫০ টাকায়। প্রতি কেজি নতুন লতা চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৬-৩৮ টাকায় এবং পুরাতন লতা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। প্রতি কেজি মোটা চাল ৩২-৩৩ টাকা, বিআর-২৮ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ২ টাকা কমে নতুন ৪০ টাকা ও পুরাতন ৪২ টাকা। নাজির শাইল প্রতি কেজি ৫০-৫২ টাকা, সুগন্ধ চাল প্রতি কেজি ৭৫-৮০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। আঁতপ চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৩৮ টাকার মধ্যে।

সুগন্ধি চালের মধ্যে কাটারি ভোগ ৭৫ টাকা, কাল জিরা প্যাকেট পাওয়া যাচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ টাকা দরে।

এসআই/এএইচ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।