ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো যাবে ভিসা বন্ডের অর্থ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৩২ পিএম, ১১ মে ২০২৬
বাংলাদেশ ব্যাংক/ছবি: জাগো নিউজ

বিদেশে ভিসা আবেদন করতে গিয়ে ভিসা বন্ড বা সিকিউরিটি ডিপোজিট জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিলতার মুখে পড়তেন বাংলাদেশি আবেদনকারীরা। এ প্রক্রিয়া সহজ করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ব্যাংকের মাধ্যমেই বিদেশে ভিসা বন্ডের অর্থ পাঠানো যাবে।

সোমবার (১১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে।

এতে বলা হয়, বিদেশি ভিসা পাওয়ার শর্ত হিসেবে কোনো আবেদনকারীকে ভিসা বন্ড বা ফেরতযোগ্য সিকিউরিটি ডিপোজিট জমা দিতে হলে ব্যাংক তার পক্ষে ওই অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, বিদেশে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের ভোগান্তি কমানো এবং পুরো ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও কার্যকর করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো আবেদনকারীদের নামে আন্তর্জাতিক বা ভার্চুয়াল কার্ড ইস্যু করতে পারবে, যেখানে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রিলোড করা থাকবে। এছাড়া যেসব গ্রাহকের আগে থেকেই আন্তর্জাতিক কার্ড রয়েছে, সেসব কার্ডেও ভ্রমণ কোটার আওতায় পুনরায় অর্থ লোড করা যাবে। তবে এই অর্থ শুধু ভিসা বন্ড বা সংশ্লিষ্ট সিকিউরিটি ডিপোজিট পরিশোধের কাজে ব্যবহার করা যাবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, এক্সপোর্টার্স রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) হিসাব, রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট (আরএফসিডি) হিসাব কিংবা এসব হিসাবের বিপরীতে ইস্যুকৃত আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমেও এ সুবিধা পাওয়া যাবে।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এ নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রসহ যেসব দেশে ভিসা প্রক্রিয়ায় আর্থিক গ্যারান্টি বা সিকিউরিটি ডিপোজিটের প্রয়োজন হয়, সেখানে বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য প্রক্রিয়াটি আরও সহজ ও দ্রুত হবে।

ভিসা বন্ড হলো বিদেশে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জামানত বা আর্থিক গ্যারান্টি হিসেবে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা। আবেদনকারী নির্ধারিত সময় শেষে নিজ দেশে ফিরে আসবেন এ নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতেই অনেক দেশ এ ধরনের বন্ড বা ফেরতযোগ্য সিকিউরিটি ডিপোজিট চেয়ে থাকে। সাধারণত ভিসার শর্ত পূরণ হলে এই অর্থ পরে ফেরত দেওয়া হয়।

ইএআর/ইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।