মাংসের দাম চড়া স্থিতিশীল মাছের বাজার


প্রকাশিত: ০২:২৯ এএম, ১৫ জুন ২০১৫

মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে গরুসহ সব ধরণের মাংসের দাম। রমজান কিংবা ব্যয় বৃদ্ধি নয়, সীমান্ত থেকে গরু না আসাকেই এর কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করলেন বিক্রেতারা। রাজধানীর হাতিরপুল বাজার ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
 
বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা। গত সপ্তাহে এই দাম ছিল ৩৮০ টাকা। অথচ চলতি বছরের জানুয়ারিতে এই গরুর মাংসের দাম ছিল মাত্র ২৮০ টাকা। খাসির মাংসের দাম ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা।

গরুর মাংস দোকান মালিক মুস্তাকিম সরদার জাগো নিউজকে বলেন, ভারতীয় গরু আমদানি কমে যাওয়ায় বাজারে গরুর সরবরাহ কমে গেছে। ফলে দাম বেড়েছে। দেশের গরু দিয়ে মাত্র ৭০ শতাংশ চাহিদা মেটানো সম্ভব। বাকিটা ভারতের উপর নির্ভরশীল। ভারত থেকে গরু না আসলে রমজান মাসে মাংসের কেজি ৫০০ টাকা হতে পারে বলে জানান তিনি।
 
তবে এই অজুহাত মানতে নারাজ ক্রেতারা। বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা তাইফুল আলম বলেন, দীর্ঘ তিনমাস হরতাল-অবরোধের নাজুক সময়ে মাংসের বাজার স্থিতিশীল ছিল। তাহলে এখন কেন বাড়লো? এটা বিক্রেতাদের দাম বাড়ানোর অজুহাত।
 
গরুর মাংসের পাশাপাশি বাজারে কেজি প্রতি ১০ টাকা বেড়েছে ব্রয়লার ও লেয়ার মুরগির দাম। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ টাকা কেজি দরে এবং লেয়ারের দাম ১৮৫ টাকা। প্রতিটি পাকিস্তানি মুরগীর দাম ৩০০ থেকে ৩৫০ এবং দেশি মুরগীর দাম ৪৫০ থেকে ৪৮০ টাকা।
 
মুরগীর দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে আইনুল হক নামে এক বিক্রেতা জাগো নিউজকে বলেন, ‘চাহিদা বৃদ্ধির কারণে আমাদের বেশি দামে কিনতে হয়। পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকলে রোজায় দাম আরো বাড়বে। ঈদের সময় কেজি প্রতি আরো ২০ টাকা বাড়তে পারে।’
 
রমজানে মাংসের বাজার অস্থিতিশীল থাকলেও ইলিশ বাদে মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে মাছের বাজার। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি বড় আকারের ইলিশের দাম ১৩০০ টাকা, মাঝারি ৬৫০ এবং ছোট ইলিশের দাম ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা।
 
বড় রুই মাছ কিনতে ক্রেতাকে কেজি প্রতি ৪০০ টাকা ও ছোট মাছে ৩৫০ টাকা খরচ করতে হবে। দেশি মাগুর ১০০০ টাকা এবং চাষের মাগুরের দাম ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা। এছাড়াও প্রতি কেজি কাতলা মাছ ৪৫০, কই মাছ ২০০ পাঙ্গাস সাড়ে ৩ শ’ থেকে ৪ শ’ ও দেশি শিং মাছ ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
 
এআর/এসএইচএস/এআরএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।