রমজানের আগেই বেড়েছে ফলের দাম
রমজানের আগেই বেড়েছে অনেক ফলের দাম। রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার বড় সবজি বাজার মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, পাইকারিতে কমে মিললেও খুচরা বাজারে ফলের দাম বেড়েছে। যদিও খুচরা আড়তদারদের দাবি, এবারের রমজানে মৌসুমি সব ফলের দাম কমে যাবে।
ফলের বাজারের পুরোটাই প্রায় দেশি ফলের দখলে। আম-জাম-লিচু-কাঁঠাল সব আছে বাজারে। কেবল স্বাদের জন্যই নয়, দেশি ফলের রং, রূপ ও বৈচিত্র্য ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে। তবে দামে আটকে যাচ্ছে যায় ক্রেতাদের স্বাদ। তবুও থেমে নেই বেচা কেনা।
সরেজমিনে মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটের আমের বাজার দখল নিয়েছে সাতক্ষীরা ও মেহেরপুরের আম। হিমসাগর, গোপালভোগসহ নানা জাতের আম বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।
বিক্রেতারা বলছেন গত বছরের তুলনায় আমের বাজারে দামের বিস্তর ফরাক। অনেক কম দামে আম পাওয়া যাচ্ছে। তবে বিক্রেতারা বলছেন রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম এখনো রাজধানীতে পুরো নামতে শুরু করে নি। তখন আমের দাম বাড়বে।
আকার ভেদে আগুন লেগেছে আনারসে। মাঝারি আকারের আনারসের জোড়া ১২০ টাকা, বড় আনারসের জোড়া ১৬০ টাকা। এখন টাউন হল বাজারে বোম্বে লিচুই বেশি। বোম্বে লিচুর দাম ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কম যাচ্ছে না জামের বাজারও। বলা যায় কিছুটা চড়া দামেই কেজি প্রতি ৮০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে আধিপত্য ছাড়ে নি তরমুজ। তবে আকারভেদে দামের ভিন্নতা রয়েছে। ছোট বড় মিলে ৮০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যাচ্ছে জাতীয় ফল কাঁঠাল।
নেসপাতি ২২০ টাকা, ১৫০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা দর খেজুর পাওয়া যাচ্ছে। আপেল ১৫০ টাকা, গোমেজ (আপেল) ১৬০ টাকা। তবে আমার মালটার দাম কমেছে। কেজি প্রতি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে মালটা।
তবে ডালিমের দাম বেশি কেজি ৩০০ টাকা, নটকো ১৬০ টাকা, জাম ১২০ টাকা, পেয়ারা ৮০-১০০ টাকা ও কামরাঙ্গা ১২০-১৫০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।
আগুন লেগেছে আমলকিতে। কেজি প্রতি ৫০০ টাকার কমে মিলছে না আমলকি। করমচা’র দামও আকাশচুম্বি। কেজি ২০০-২২০ টাকা।
বেল ১২০ টাকা পিস প্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কলার প্রকারভেদে দামেও পার্থক্য দেখা গেছে। নরসিংদীর সাগর কলার ডজন ১২০-১৫০ টাকা, সবরি কলার ডজন ৭৫-৯০ টাকা, চামপা কলা ৫০-৬০ টাকা। নারিকেল ৪০ থেকে ৫০ টাকা পিস।
ফল বিক্রেতা আনোয়ার শেখ জানান ‘আড়তে ফলের আমদানি বাড়তেছে। দেশ ফলের যোগান এবার বেশি হওয়ায় রমজানে দামে বেশি প্রভাব পড়বে না।’
জেইউ/এসকেডি/এআরএস/এমএস