রাজধানীর বাজারে সবজি ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি


প্রকাশিত: ০৪:৩২ এএম, ১৫ জুন ২০১৫

আসন্ন রমজান উপলক্ষে রাজধানীর বাজারগুলোতে বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। রোজা শুরু হলে সবজির দাম আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভোক্তারা।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার বড় সবজি বাজার মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে রমজান শুরুর আগেই বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম।

চিচিঙ্গা ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০ টাকা, বরবটি ৫০-৫৫ টাকা, ও ঢেড়স কেজিতে দাম বেড়ে হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা।

কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে শশা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দামে, হারি প্রতি লেবু ২০ থেকে ২৮ টাকা, মরিচের কেজি ৫০, পটল ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে দ্বিগুন হয়েছে বেগুনের দাম ৩০ টাকার বেগুন এখনই ৬০ টাকা যা রমজানে আরো বাড়বে বলে ধারণা করছেন সাধারণ ভোক্তা।

দেশি লাল আলু ২৬ টাকা, পেঁপের কেজি ২৫-৩৫ টাকা, গাজর ৫০-৫৫ টাকা, ৪০ টাকা, কচুর লতি ৪০ টাকা, টমেটো ৫০ থেকে ৭০ টাকা, কাঁচাকলা হালি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মিষ্টি কুমড়ার কেজি ২৫-৩০ টাকা, জালি কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস, লাউ ৪০ থেকে ৫০ টাকা, সবুজ শাক আটি ১০ টাকা, পুঁইশাক ১০-১৫ টাকা, ডাটা ২০-২৫ টাকা, কলমি শাক ১৫ টাকা, লাউ শাক ১৫ টাকা আটি।

বেড়েছে মাংসের দাম। গরুর মাংস কেজি ৪৪০ টাকা। ১৬০ টাকার ব্রয়লার মুরগির প্রতি কেজি ১০ টাকা বেড়ে এখন ১৭৫ টাকা, লেয়ার মুরগি ১৭০ টাকা, খাসির মাংস ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ৩৫০-৩৬০ টাকা দরে বিক্র হচ্ছে।

প্রকারভেদে মাছের দামেও রয়েছে পার্থক্য। প্রতি কেজি বড় আকারের কাতল ৩৬০-৪০০ টাকা, ছোট টেংরা ৪০০ টাকা, বাটা ২০০-২২০ টাকা, ছোট চিংড়ি ৪৮০-৫৫০ টাকা, কৈ ২০০-২২০ টাকা, পাঙ্গাসের দাম কিছুটা বেড়ে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, সিলভার কার্প ১৫০-১৮০ টাকা, মাঝারি শিং মাছ ৪৫০-৫০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৬০-২০০ টাকা, মাঝারি আকারের রুই ৩৫০। মাঝারি আকারের জোড়া ইলিশ ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

কেজি প্রতি পেঁয়াজের দাম ৪-৫ টাকা করে বেড়েছে। দেশি পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৪৮, ভারতীয় পেয়াজ ৪০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে দেশি রসুন ৭০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ৯০ টাকা দামে পাওয়া যাচ্ছে। ব্রয়লার মুরগীর ডিম প্রতি হালি ৩০ টাকা। দেশি মুরগির ডিম ৪০ ও হাঁসের ডিমের হালি ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

দেশি আদা প্রতিকেজি ১৩০ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১০০-১২০, মুগ ডাল ১১০, ভারতীয় মসুর ডাল ৮০ থেকে ৯০ টাকা, অস্ট্রেলিয়ান মসুর ডাল ১১০-১১৫ টাকা, অ্যাংকর ডাল ৫০ থেকে ৬০ টাকা। ছোলা ৬৫, ডাবলী ৬৫, বেশন ৮০, বুটের ডাল ৬৫ টাকা, খেসারি ডাল ৫৫ টাকা দামে পাওয়া যাচ্ছে।

এ দিকে  স্থিতিশীল রয়েছে চিনির বাজার। দেশি চিনি প্রতি কেজি ৪০ টাকা। খোলা আটার কেজি ৩০ থেকে ৩২ টাকা, প্যাকেটের আটা ২কেজি ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১০৫ টাকা ও পামওয়েল ৯০-৯৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি কেজি মোটা চাল ৩৮ টাকা, লতা চাল ৪২ টাকা, মিনিকেট ৫০ থেকে ৫২ টাকা, স্বর্ণা ৪০ টাকা, নাজিরশাইল ৫০ থেকে ৫৮ টাকা, আটাশ ৪২-৪৮ টাকা, ঊনত্রিশ ৪০ -৪১ টাকা, পোলাও চাল ৭০ থেকে ১০০ টাকা দরে মিলছে।

বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রী সাজেদা আক্তার জানান, কিছু সবজির দাম বেড়েছে। মাছের দাম ঠিক থাকলেও বেড়েছে মাংসের। রজমানে যে কি হবে বলা যাচ্ছে না।

সবজী বিক্রেতা আফসার উদ্দিন জানান, বৃষ্টির কারণে কিছু সবজির জোগান কমেছে বলে দাম একটু বাড়ছে। তবে এবারের রমজানে পণ্যের খুব বেশি দাম বাড়বে না বলে জানান তিনি।

জেইউ/এসকেডি/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।