রাজশাহী ও নাটোর কারখানায় প্রাণ-এর আম সংগ্রহ শুরু

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৪৬ পিএম, ০৫ জুন ২০২৩

রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ আমের জন্য বিখ্যাত জেলাগুলো থেকে আম সংগ্রহ করে পাল্পিং কার্যক্রম শুরু করেছে দেশের সর্ববৃহৎ কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ। সারাবছর ধরে ম্যাংগো ড্রিংক, জুস, ম্যাংগো বারসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী তৈরি করতে এ আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কার্যক্রম শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

সম্প্রতি রাজশাহীর গোদাগাড়ী বরেন্দ্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক ও নাটোরের একডালায় প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের কারখানায় এ আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। চলতি বছর ৬০ হাজার মেট্রিক টন আম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে প্রাণ।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী বরেন্দ্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের (বিআইপি) জেনারেল ম্যানেজার সারোয়ার হোসেন বলেন, ‘রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, দিনাজপুরসহ আশপাশের অঞ্চল আমের জন্য বিখ্যাত। এসব জেলা থেকে গুটি আম সংগ্রহ করে কারখানায় পাল্পিং করা শুরু হয়েছে, যা চলবে জুলাইয়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত। এরপর আশ্বিনা আম থেকে পাল্প সংগ্রহ শুরু হবে। কারখানায় আম সংগ্রহ চলবে আগস্ট পর্যন্ত, আমের সরবরাহ থাকা সাপেক্ষে।’

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, ‘গত বছর আমের স্বল্পতা থাকা সত্ত্বেও আমরা চাষিদের কাছ থেকে প্রায় ৩৫ হাজার টন আম সংগ্রহ করেছি। ক্রেতারা যেন উৎকৃষ্ট মানের পাল্পের ফ্রুট ড্রিংক কিংবা জুস খেতে পারে সেজন্য আমরা পণ্যের কাঁচামালকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেই। এজন্য আমের জন্য বিখ্যাত অঞ্চলকে ঘিরে রাজশাহী ও নাটোরে আমাদের কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘কারখানায় অত্যাধুনিক মেশিনে হাতের স্পর্শ ছাড়া সম্পূর্ণ অ্যাসেপটিক পদ্ধতিতে সংগৃহীত আমের পাল্পিং করা হচ্ছে। অ্যাসেপটিক পদ্ধতিতে পাল্প সংরক্ষণ হওয়ায় দুই বছর পর্যন্ত তা ব্যবহার উপযোগী থাকে এবং সংরক্ষিত পাল্প থেকে সারাবছর আমের জুস, ড্রিংক ও মাংগোবার উৎপাদন করা হয়। এ আম থেকে প্রস্তুতকৃত প্রাণ ফ্রুটো দেশের শীর্ষ ম্যাংগো ফ্রুট ড্রিংকস ব্র্যান্ড হিসেবে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে এবং বিশ্বের ১৪৫টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।’

জেএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।