বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চান সুইস উদ্যোক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:২৭ পিএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩
শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে শিল্পখাতে সুইজারল্যান্ডের উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংলি।

বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) শিল্প মন্ত্রণালয়ে শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত এ আগ্রহের কথা জানান।

এ সময় সুইজারল্যান্ডের উদ্যোক্তাদের আগ্রহকে সাধুবাদ জানান শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে শিল্পমন্ত্রী বলেন, শিল্পখাতে তাদের যে কোনো ধরনের সহযোগিতা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: তিন মাসে কোটি টাকার হিসাব বেড়েছে ৩ হাজার ৩৬২

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানবিক উন্নয়নখাতে সুইজারল্যান্ড অব্যাহতভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। এছাড়া রসায়ন, ওষুধ, অবকাঠামো, কারিগরি সেবা এবং ভোগ্যপণ্যখাতে সুইস বিনিয়োগ উল্লেখ করার মতো।

সাক্ষাৎকালে উভয়ে মেধাসম্পদ সুরক্ষায় নতুন নতুন উদ্ভাবনের পেটেন্ট, ডিজাইন, পণ্য ও সেবার ট্রেডমার্কস এবং ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) ইত্যাদি ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে সম্মত হন। শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাকখাতে আমদানি বাড়াতে সুইস রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: পিএসপির মাধ্যমেও আসবে প্রবাসী আয়, মিলবে প্রণোদনাও

এ সময় শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত সচিব এসএম আলম, মু. আনোয়ারুল আলম, যুগ্মসচিব মো. আব্দুল ওয়াহেদ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ এক দশকে প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। এটি আরও বাড়ার সুযোগ রয়েছে। সুইস ফেডারেল কাস্টমস প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী ২০২০ সালে দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৮১ কোটি ফ্রাঙ্ক সমমূল্যের পণ্য লেনদেন হয়েছে। তার মধ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৬৮ কোটি সুইস ফ্রাঙ্ক মূল্যের পণ্য। এছাড়া বাংলাদেশ আমদানি করেছে ১৩ কোটি সুইস ফ্রাঙ্ক মূল্যের পণ্য।

এনএইচ/কেএসআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।