প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম হলে তদন্ত হবে: শিক্ষামন্ত্রী
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ‘তড়িঘড়ি’ করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪ হাজার ৩৮৫ জন শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। এ নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক জালিয়াতি-অনিয়মের ঘটনা ঘটে। চাকরিপ্রার্থীদের একটি পক্ষ এ নিয়ে আন্দোলনেও নামেন। তাতে পাত্তা না দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োগ সম্পন্ন করে।
তবে এ নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম হলে তা তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এহছানুল হক মিলন বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সম্প্রতি যে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে, তাতে যদি অনিয়ম হয়; কোনো ব্যত্যয় ঘটে, তাহলে তা তদন্ত করা হবে। তদন্তে তেমন কিছু প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোটের আগে একযোগে ১ হাজার ৭১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল। এ এমিপওভুক্তিতেও কয়েকশ কোটি টাকার অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এমপিওভুক্তি হয়ে যায়নি। এটা আমাদের হাতে রয়েছে। এটা রিভিউ করার সুযোগ রয়েছে। আমরা এটা রিভিউ করবো।
এএএইচ/এমআইএইচএস