বিশ্বমানের শিক্ষা বাস্তবায়নে প্রাথমিকে ১০ পদক্ষেপ

মুরাদ হুসাইন
মুরাদ হুসাইন মুরাদ হুসাইন , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৫৬ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০১৯

বর্তমান সরকারের বিগত ১০০ দিনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় রুটিন মাফিক কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নানামুখী কর্মকাণ্ড হাতে নিয়েছে। এ সময়ের মধ্যে বেশ কিছু কার্যক্রম সম্পন্নও হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষক নিয়োগ ও বদলি নীতিমালা সংশোধন, শিক্ষক উপস্থিতি ডিজিটালাইজড, শিক্ষার্থীদের শব্দ শিখন, সিলেবাসে সমতা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নতুন মন্ত্রী দায়িত্বে বসার পর নতুন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন এবং জাতীয়করণ হওয়া ২৯৯ কলেজে পদ সৃজনের নতুন নির্দেশনা জারি ছাড়া তেমন কোনো অর্জন নেই। তবে ২৬ জন বিতর্কিত কর্মকর্তাকে বদলির নির্দেশনা বিগত সময়ে আলোচনার বিষয় ছিল।

বর্তমান সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে। এ নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। এ সময়ের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সব অর্জন ও সমালোচনা তুলে ধরা হয়েছে। এ মন্ত্রণালয়ে রুটিন মাফিক কার্যক্রম করা হচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্ট কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন।

বিগত ১০০ দিনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্জন বিষয়ে জানতে চাইলে সচিব আকরাম আল হোসান জাগো নিউজকে বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে বিশ্বমানের করতে বিগত তিন মাসের মধ্যে আমরা নানামূখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। আজকে যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ছে তারাই আগামীতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবে। তাই তাদের যুগোপযোগী শিক্ষা দিতে না পারলে সব চেষ্টা ব্যর্থ হবে। এটিকে মাথায় রেখে আমরা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে চাই।

তিনি বলেন, আমাদের নানা রকম পদক্ষেপের পাশাপাশি বেশ কিছু সমস্যাও আছে। এখনও শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য সমস্যা দূরীকরণ সম্ভব হয়নি। যদিও এবার আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে এটা সমাধান করা হবে উল্লেখ ছিল। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও বৈষম্য রয়েছে। কেউ এসএসসি, কেউ এইচএসসি, কেউবা স্নাতক পাস রয়েছেন। এ কারণে শিক্ষকদের গ্রেড নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রসাশন মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তারা বলেছেন, ডিগ্রি পাস শিক্ষকদের জন্য প্রস্তাব পাঠালে গ্রেড পরিবর্তন করা যেতে পারে। তাদের ১১তম গ্রেড দেয়া সম্ভব না হলেও সম্মানজনক একটি অবস্থানে উন্নীত করা হবে।

বিগত ১০০ দিনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্জনের মধ্যে রয়েছে-

প্রতিদিন একটি ইংরেজি শব্দ শিক্ষণ : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন তাদের পাঠ্যপুস্তক থেকে একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি শব্দ শেখাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ৬৫ হাজার ৫৯৩টি বিদ্যালয়ে এটি শেখানো হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ে মনিটরিং করা হচ্ছে। ৩১ মার্চ মার্চের মধ্যে প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থী বাংলা ও ইংরেজি রিডিং পড়তে পারবে বলে একটি চ্যালেঞ্জ দেয়া হয়েছিল। বর্তমানে অধিকাংশই তা পড়তে সক্ষম হচ্ছে। এটি একটি বড় অর্জন। গত এপ্রিল মাস থেকে বিষয়টি মনিটরিং করা হচ্ছে। যেসব শিশু রিডিং পড়তে পারে না তাদের উপর বিশেষ নজর ও বেশি হাতের লেখা দেয়া হচ্ছে। এর ফলে প্রায় সবাই বাংলা ও ইংরেজি পড়তে পারছে।

নতুন ভবন নির্মাণ ও জরাজীর্ণ ভবন সংস্কার : গত তিন মাসে পাকা ভবন নেই সারাদেশে এমন ৫ হাজার ৬৭৯টি বিদ্যালয়ের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব স্থানে নতুন পাকা ভবন নির্মাণে ৮৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বরগুনায় ছাদ ভেঙে শিক্ষার্থী হতাহতের ঘটনার পর মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে দেশের জরাজীর্ণ সব ভবনের তালিকা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে চাওয়া হয়েছে। তালিকা পেলে সেগুলো মেরামতের জন্য নির্দেশনা দেয়া হবে।

শিক্ষক উপস্থিতি ডিজিটালাইজ : প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের হাজিরাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়া হয়েছিল। বর্তমানে সেটিকে ডিজিটালাইজ করা হয়েছে। দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা নিশ্চিত করতে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে চলতি সপ্তাহে মাগুরা জেলায় একসঙ্গে ১০৫টি বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক মেশিন স্থাপন করা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিদ্যালয়ে এটি স্থাপন করা হবে। শিক্ষকরা প্রতিদিন যাতে নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন সে জন্যই এ পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে।

শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা আধুনিকায়ন : বিগত ১০০ দিনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। এতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগের জন্য যোগ্যতা হিসেবে স্নাতক (সম্মান) ও ডিগ্রি পাস করা হয়েছে। বিজ্ঞান বিষয়ে পাস করাদের জন্য ২০ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। যেসব বিদ্যালয়ে অংক ও বিজ্ঞানে সমস্যা দেখা দেবে সেখানে এ বিষয়ে পাস করা শিক্ষকদের পাঠানো হবে।

শিক্ষক বদলি নীতিমালা সহজীকরণ : প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলি নীতিমালা সংশোধন করে সেটিকে সহজীকরণ করা হয়েছে। অন্য যে কোনো সময়ের চাইতে এই নীতিমালাকে যুগোপযোগি করা হয়েছে। এতে করে শিক্ষকরা বদলি হয়ে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলে আসার সুযোগ পাচ্ছেন। বদলি সংক্রান্ত কার্যক্রমে ভোগান্তি অনেক কমেছে। আগে শুধুমাত্র বিশেষ কিছু প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরাই স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থলের কাছে বদলির আবেদন করতে পারতেন।

এছাড়া শিক্ষক বদলি নীতিমালা বিকেন্দ্রী করণ করা হয়েছে। এখন থেকে প্রাথমিকে শিক্ষক বদলি কার্যক্রম মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর দেখভাল করবে। প্রতিবছর জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত চলবে এই কার্যক্রম। নতুন নীতিমালার ফলে কমেছে বদলি বাণিজ্য। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে নির্মাণ কাজ পরিদর্শন : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এপ্রিল, মে ও জুন মাসে নির্মাণ কাজ চলে। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয় ভবনসহ বাউন্ডারি ওয়াল, ওয়ামব্লক ও টিউবওয়েল ইত্যাদি স্থাপন ও নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। এসব কাজের গুণগত মান নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকতাসহ অন্যান্যদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গণশিক্ষা কার্যক্রমে সম্প্রসারণ : গণশিক্ষা কার্যক্রম অনেক সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ নর্থ ফরমাল এডুকেশন ব্যুরো চলতি বছর শিক্ষা বঞ্চিত ১ লাখ শিশুকে স্কুলের আওতায় এনেছে। দেশের সব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনারদের চিঠি দিয়ে এটিকে গুরুত্ব সহকারে দেখভালের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সারাদেশে একই সঙ্গে সিলেবাস সম্পন্ন : সারাদেশে একই কারিকুলামে পাঠাদান নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ঢাকা শহরের সব বিদ্যালয়ে একই বিষয়ে পাঠদান নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে করে প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থী একই দিনে একই বিষয় বুঝতে পারবে। ফলে সারাদেশে একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সিলেবাস অনুযায়ী পাঠদান হবে। এতে করে কোনো কর্মকর্তা বিদ্যালয় পরিদর্শনে গেলে আগেই জানতে পারবে এদিন কী পড়ানো হবে। যদি তা না পড়ানো হয়, তবে এর জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে জবাবদিহি করতে হবে। এ জন্য ৬৪টি জেলায় ৬৩টি মেনটর তৈরি করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে সারাদেশের সব প্রতিষ্ঠান মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

বিদ্যালয় আকস্মিক পরিদর্শন : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আকস্মিক পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এ কার্যক্রমে স্বয়ং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ও সচিবও নিয়োজিত রয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে তারাও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন।

ই-পেনশন ব্যবস্থা : অবসরের পর শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১৫ দিনের মধ্যে পেনশন সুবিধা দিতে ই-পেনশন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। একটি সফটও্যারের মাধ্যমে সব তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে রাখা হবে। কেউ অবসরে যাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে অবসর সুবিধা নিয়ে বাড়ি যেতে পারবেন। ইতোমধ্যে পাইলটিং হিসেবে যশোর ও টাঙ্গাইল জেলায় এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

মন্ত্রী ও সচিবের সঙ্গে প্রধান শিক্ষকদের যোগাযোগ স্থাপন : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের আরও দায়িত্বপূর্ণ করে গড়ে তুলতে সরাসরি ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সচিব ও মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা তাদের বিদ্যালয়ের সম্ভাবনা ও সমস্যা তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন। এতে করে শিক্ষকদের আত্মবিশ্বাসও বাড়ছে, তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য সর্ম্পকে সচেতন হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, বিগত ১০০ দিনের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগে তেমন কোনো অর্জন খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ায় নতুন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এছাড়া সম্প্রতি জাতীয়করণ হওয়া ২৯৯ কলেজে পদ সৃজনের নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। তবে ২৬ জন বিতর্কিত কর্মকর্তাকে বদলিও নির্দেশনা বিগত সময়ে আলোচনার বিষয় ছিল। পাশাপাশি সম্প্রতি শেষ হওয়া এসএসসি ও চলমান এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে বিপাকের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষমন্ত্রী ডা. দীপু মনি। উভয় পরীক্ষায় ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘটনাও বিগত ১০০ দিনে ছিল আলোচিত বিষয়।

সেই সঙ্গে ননএমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা সম্প্রতি এমপিওভুক্তির জন্য রাজপথে বসে টানা আন্দোলন করেন। শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে তারা আন্দোলন ছেড়ে বাড়ি ফিরেছেন। এরপরই শুরু হয় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকদের জাতীয়করণের দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট। শিক্ষামন্ত্রীর দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসে এ আন্দোলনেও অংশ নেয়া মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারীরা বাড়ি ফিরে গেছেন। এসব আন্দোলন নিয়ে বিপাকে পড়েন শিক্ষমন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তাই আগামী মাসে আড়াই হাজার যোগ্য তালিকাভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন মন্ত্রী।

জানা গেছে, নতুন মন্ত্রী দায়িত্বে বসার পর থেকে সারাদেশের সব সরকারি কলেজ শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। শিক্ষকরা বদলি হতে না পারায় এ নিয়ে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার শিক্ষকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে তারা আন্দোলনে যাওয়ারও চিন্তা-ভাবনা করছেন।

বিগত ১০০ দিনের অর্জন হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক কার্যক্রম হাতে নেয়া হচ্ছে। কারিগরি শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে নতুন ডিপ্লোমা ও বিএসসি কলেজ স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী মাসে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির তালিকা প্রকাশ করা হবে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ কার্যক্রম করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এমএইচএম/এমএমজেড/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :