ঝুঁকিপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৪১ পিএম, ১০ এপ্রিল ২০১৯

সারাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য সকল সংসদ সদস্যদের কাছে তালিকা চাওয়া হয়েছে। এ তালিকা পেলে নতুনভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংস্কার কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষা বিষয়ক সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এমন কথা বলেন দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাদ ভেঙে শিক্ষার্থীদের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। যা একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনা। তবে নতুন করে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে এ জন্য আমরা নতুনভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছি। সারাদেশের সকল ঝুঁকিপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ জন্য জনপ্রতিনিধিদের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সারাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের তালিকা পেলে সেসব প্রতিষ্ঠান নতুন করে সংস্কার কাজ শুরু করা হবে। আমরা চাই একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করবে। এ জন্য যা যা করণীয় আমরা তাই করতে চাই।

সম্প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারীদের উপর সহিংসতা ঘটছে এজন্য কী করণীয় সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারী শিক্ষার্থীদের উপর যে সকল সহিংসতার ঘটনা ঘটছে তা অবশ্যই নিন্দনীয়। সমাজে নারীর যত বেশি অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে ও নারীর অধিকার সম্পর্কে যত বেশি সচেতন হবে ততবেশি এসব সহিংসতা বন্ধ করা সম্ভব হবে। নারীর উপর সহিংসতা বন্ধে তিনি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সমাজে পুরুষের যে মানসিকতা তৈরি হয়েছে তার কারণে নারীর প্রতি সংহিসতার ঘটনা ঘটছে। এসবের বিরুদ্ধে আইন সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে না পারলে সহিংসতা বন্ধ হবে না। সকলে মিলে এসবের প্রতিবাদ করার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এক সময় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় নারীর উপর সংহিসতা করা হতো আমরা তা থেকে রক্ষা পেয়েছি। যারা মানসিকভাবে বিকৃত তাদের দ্বারা এসব সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। সেক্ষেত্রে পরিবার ও সমাজের সকলে মিলে এর প্রতিবাদে আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। যে সহিংসতা করবে সকলে মিলে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এ জন্য মিডিয়ার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এমএইচএম/এসএইচএস/পিআর