ছয় তলা থেকে লাফ দিয়ে সম্ভ্রম বাঁচালেন মডেল

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:০৪ পিএম, ২২ মার্চ ২০১৮

শোবিজের মডেল ও নায়িকাদের সঙ্গে একান্তে সময় কাটাতে চান অনেক ক্ষমতাধর পুরুষ ও ধন কুবেররা। এইসব নিয়ে যেমন নানা রকম মুখরোচক গল্প ছড়ানো আছে তেমনি রহস্যময় গল্পেরও অভাব নেই। পছন্দের মডেল বা নায়িকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়া এবং নানা রকম অপরাধমূলক কাজে সংযুক্ত করার ঘটনাও আছে। কেউ পারেন নিজেকে এসব থেকে বাঁচাতে, কেউ বা ফাঁদে পা দেন বাধ্য হয়েই।

তেমনি দুর্ভাগ্যের শিকার রুশ মডেল একাতেরিনা স্তেতসউক। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সান’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক ধনী বিদেশি বেশ কয়েক দিন যাবৎ তাকে অনুসরণ করছিল। সুন্দরী একাতেরিনার সঙ্গে ঘনিষ্ট হওয়াই ছিল সেই ব্যক্তির একমাত্র মতলব।

সুদূর রাশিয়া থেকে এক মাসের মডেলিং চুক্তিতে দুবাই গিয়েছিলেন ২২ বছরের এই মডেল। গত এক মাস ধরে দুবাইয়ের এক হোটেলেই বাসা বেঁধেছিলেন তিনি। এবং সেখানেই মুখোমুখি হলেন একটি বড় দুর্ঘটনার।

জানা গেছে, চলতি মাসের তিন তারিখ দুবাইয়ের হোটেলের ছ’তলার ঘর থেকে ঝাঁপ দেন রুশ মডেল একাতেরিনা। প্রাণে বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। মডেলের বান্ধবী ইরিনা গ্রসম্যান সংবাদমাধ্যমকে জানান, এত উঁচু থেকে লাফ দেয়ায় মৃত্যু হয়নি একাতেরিনার। তবে ওর মেরুদণ্ড ভেঙে গিয়েছে। আশার কথা হলো আস্তে আস্তে তিনি সেরে উঠছেন।

কেন এই ঘটনা ঘটালেন তিনি? কেনই বা তাকে ছয় তলা থেকে লাফ দিতে হলো? এই বিষয়ে গণমাধ্যম বলছে, ওই ধন কুবেরের লোলুপ দৃষ্টি থেকে নিজেকে বাঁচাতেই সুন্দরী একাতেরিনা মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছিলেন। তার সঙ্গে ঘনিষ্ট হওয়াই ছিল সেই ধনী ব্যক্তির একমাত্র মতলব। ঘটনার দিন একতেরিনার হোটেলের ঘরে ঢুকে তাকে রীতিমত ভয় দেখায় লোকটি। একাতেরিনা সেদিনও লোকটির প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, শেষে তার গলায় ছুরি ধরে। নিজের সম্মান বাঁচানোর আর কোনও উপায় না দেখে, ছ’তলার ঘর থেকেই ঝাঁপ মারেন একাতেরিনা।

কিন্তু অবাক করা ব্যাপার হলো একাতেরিনার মা ‘ডেলি মেল’-কে জানান, দুবাই পুলিশ ওই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো একাতেরিনাকেই গ্রেফতার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদের মতে একাতেরিনা নাকি ‘এসকর্ট’ হিসেবে কাজ করছেন। এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকেই নাকি তিনি আক্রমণ করেছিলেন। মডেলের মায়ের অভিযোগ, ওই ব্যক্তি দুবাইয়ের এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী। প্রভাব ও টাকা দিয়ে তিনি পুলিশ কিনে ফেলেছেন। এখন অপেক্ষা একাতেরিনার সুস্থ হয়ে ওঠার। তার পরেই শুরু হবে তদন্ত।

এলএ/পিআর

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - jagofeature@gmail.com