‘সংসার টেকেনি বলে তাহসান-মিথিলা ও রোজাকে খারাপ ভাবা ঠিক নয়’

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৪৬ পিএম, ১২ জানুয়ারি ২০২৬
মিথিলা, তাহসান ও রোজা

গত বছর মাত্র চার মাসের পরিচয়ে মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদকে বিয়ে করেছিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। বছরের শুরুতেই সেই বিয়ে ভাঙার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। এ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। দুজনের ঘনিষ্টজনেরা জানিয়েছেন, বিয়ের পর তাহসান চেয়েছিলেন ব্যক্তিগত ও নিরিবিলি জীবন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখা। অন্যদিকে রোজা নতুন পরিচিতি ও সামাজিক পরিসর উপভোগ করছিলেন।

এই ভিন্ন জীবনধারার কারণে ধীরে ধীরে দূরত্ব তৈরি হয়। শুরুতে দূরত্ব কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করা হলেও মতের অমিল প্রকট হয়ে যাওয়ায় পারস্পরিক সম্মানের জায়গা থেকে সম্পর্কের ইতি টানা হলো।

সদ্য প্রকাশিত এক পোস্টে নিউইয়র্ক থেকে পরিচালিত ‘ঠিকানা’ টিভির জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ছন্দা বিনতে সুলতান তাহসানকে নিয়ে তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। সেটিও নেটিজেনদের নজর কেড়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার সময় বাসে দাঁড়িয়ে থাকা তাহসান আমার হাতের হ্যান্ড ক্যারিয়ার নিজে তুলে দেন। এত বড়ো মাপের একজন শিল্পীর এতটা বিনয় দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি।’

আরও পড়ুন
যে কারণে তাহসান-রোজার বিচ্ছেদ
রোজার সঙ্গে বিচ্ছেদ, অস্ট্রেলিয়ায় যেভাবে কাটছে তাহসানের সময়

ছন্দা আরও লিখেছেন, নিউইয়র্কে তাহসানের সঙ্গে কনসার্ট কভার করার সময়ও তিনি দেখেছেন তাহসান একজন বিনয়ী ও আন্তরিক মানুষ। তিনি মন্তব্য করেন, ‘মানুষ অনেক সময় ভুল মানুষকেও ভালোবাসে, কিংবা এক ছাদের নিচে থেকেও সব খুঁজে পায় না। হয়তো তাহসান, মিথিলা ও রোজা তিনজনই ভালো মানুষ। শুধু সংসার টেকেনি বলেই তাদেরকে খারাপ ভাবা ঠিক নয়।’

জানা গেছে, তাহসান গত বছরের জুলাই থেকে আলাদা থাকছেন এবং গত বছরের শেষ দিকে তিনি নিজেই ডিভোর্সের জন্য আবেদন করেছেন। বিচ্ছেদের আবেদন চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কার্যকর হবে।

রোজা একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে ব্রাইডাল মেকআপে কাজ করছেন। নিউইয়র্কে তার নিজস্ব মেকআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

 

এলআইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।