জুলকারনাইন সায়েরের দাবি ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’: শাওন

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:৩৮ পিএম, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জুলকারনাইন সায়ের ও মেহের আপরোজ শাওন। ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নির্মাতা মেহের আফরোজ শাওন আজ সামাজিক মাধ্যমে আল জাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরকে নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে একটি ছাগলের ছবি পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, তাকে নিয়ে সায়ের যা বলেছেন তার সবই মিথ্যা ও বানোয়াট।

জুলকারনাইন সায়েরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন শাওন। তিনি তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন, ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি ভারতে কোনো ধরনের সভায় তিনি ভার্চুয়ালি, স্বশরীরে বা টেলিফোনে অংশগ্রহণ করেননি। এই তথ্যের যে প্রচার করেছেন সায়ের তা সম্পূর্ণ কাল্পনিক, মিথ্যা এবং বানোয়াট।

শাওন বলেন, ‘আমি গতকাল জনাব জুলকারনাইন সায়েরের কাছে সহজ তিনটি প্রশ্ন করেছি। তিনি চাইলে প্রমাণসহ সরাসরি উত্তর দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তার পরিবর্তে এমন কিছু লিখেছেন যা ‘ধান ভানতে শিবের গীত’র মতো। যা বোধগম্য নয়। আমি উনাকে সৎ ও অনুসন্ধানী সাংবাদিক ভেবেছিলাম, কিন্তু এবার বুঝতে পারলাম আদতে তা নন। ইতং বিতং নানা কথা বললেও আমার প্রশ্নের সহজ উত্তর দেননি। তাই আমি সরাসরি জনগণের জন্য সঠিক তথ্য দিচ্ছি।

শাওন বলেন, ‘২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি ভারতে অনুষ্ঠিত কোনো ধরনের সভায় আমি ভার্চুয়ালি/স্বশরীর/টেলিফোন কোনোভাবেই অংশগ্রহণ করিনি। এই তথ‍্য সম্পূর্ণ কাল্পনিক, মিথ‍্যা এবং বানোয়াট।’

তিনি আরও জানান, জুলকারনাইন সায়ের বা তার সোর্স কেউ এই মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছেন। ‘হয়তো উনার সোর্স একটি ছাগল। ছাগল দিয়ে কোনো অনুসন্ধান সম্ভব নয়’- শাওন স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন। স্ট্যাটাসের সঙ্গে তিনি একটি ছাগলের ছবিও পোস্ট করেছেন।

এই পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় এবং তার অনুসারীরা শাওনের পক্ষে সমর্থন প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন:
নিজের একুশে পদক কাকে উৎসর্গ করলেন ববিতা 
নেদারল্যান্ডসে ৪৩ লাখ টাকা পাচ্ছে সাবেক কৃষিমন্ত্রীর ছেলের সিনেমা 

অনেকে মন্তব্য করেছেন, ‘সত্য স্পষ্টভাবে জানানো উচিত এবং মিথ্যা তথ্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের কনফার্মেশন গুরুত্বপূর্ণ।’

এলএআই/এমএমএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।