অর্থকষ্টে রাস্তায় পড়ে ছিলেন অভিনেত্রী, রাস্তা থেকে উদ্ধার করলো পুলিশ

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:১৮ এএম, ১৯ মে ২০২৬
অর্থকষ্টে রাস্তায় পড়ে ছিলেন অভিনেত্রী, রাস্তা থেকে উদ্ধার করলো পুলিশ

দীর্ঘদিন ধরে তেলুগু চলচ্চিত্রে কাজ করলেও জীবনের শেষ প্রান্তে এসে চরম অর্থকষ্টে দিন কাটছে প্রবীণ অভিনেত্রী পাবলা শ্যামলের। আর্থিক সংকট এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠেছে যে, চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গিয়েও ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাকে। পরে অসহায় অবস্থায় রাস্তা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি হৃদরোগজনিত সমস্যার চিকিৎসার জন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান পাবলা শ্যামল। তবে প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরে একটি ট্যাক্সিতে তুলে দেওয়া হলেও মাঝপথে তাকে নামিয়ে চলে যান চালক।

রাতের বেলায় রাস্তার পাশে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ‘আরকে ফাউন্ডেশন’-এ নিয়ে যায়।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তেলুগু চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় প্রযোজক ও ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের চেয়ারম্যান দিল রাজু। তিনি নিজের টিমকে হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অভিনেত্রীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

পরে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, পাবলা শ্যামল ও তার মেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে দিল রাজু ও তার টিমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরেই ‘আরকে ফাউন্ডেশন’-এর সহায়তায় চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এই অভিনেত্রী। তবে সেখানে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ না থাকায় তাকে বাইরের হাসপাতালে যেতে হয়েছিল।

এর আগেও একাধিকবার আর্থিক সংকটে পড়েন পাবলা শ্যামল। ২০২৫ সালেও অসুস্থতা ও অর্থকষ্টের কারণে বাসা ছাড়তে বাধ্য হন তিনি ও তার মেয়ে। এমনকি চিকিৎসার খরচ চালাতে নিজের পুরস্কার ও ট্রফিও বিক্রি করেছিলেন বলে জানা যায়।

১৯৮৫ সাল থেকে তেলুগু চলচ্চিত্রে অভিনয় করে আসছেন পাবলা শ্যামল। ‘গোলিমার’, ‘বর্ষম’ ও ‘অন্ধ্রওয়ালা’র মতো সিনেমায় অভিনয় করে পরিচিতি পান তিনি। সাধারণত কমেডি চরিত্রে অভিনয়ের জন্য দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

 

এলআইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।