আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন কবরী
ঢাকাই চলচ্চিত্রে ‘মিষ্টি মেয়ে’ খ্যাত অভিনেত্রী কবরী সারোয়ার। বর্তমানে তিনি সম্মানিত সংসদ সদস্য। চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই গুণী অভিনেত্রীকে এবার আজীবন সম্মাননা দিতে যাচ্ছে সরকার।
আজ ১০ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে প্রকাশ করা হয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৩’-এর বিজয়ীদের নাম। তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানা যায় এবারে আজীবন সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন ষাটের দশকের তুমুল জনপ্রিয় অভিনেত্রী কবরী। এই খবরে সংস্কৃতি অঙ্গণে বইছে আনন্দধারা। কাছের মানুষরা ফোন করে কবরীকে অভিনন্দিত করছেন বলে জানা গেছে।
এক পলকে কবরী
পারিবারিক নাম সারাহ বেগম কবরী। তিনি ষাটের দশকের বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের নায়িকা।
জন্ম এবং পরিবার
চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালীতে জন্মগ্রহন করেন অভিনেত্রী কবরী সারোয়ার। তাঁর আসল নাম মিনা পাল। পিতা শ্রীকৃষ্ণ দাস পাল এবং মা শ্রীমতি লাবণ্য প্রভা পাল। ১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে আবির্ভাব কবরীর।
অভিনয় জীবন
১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের পরিচালনায় ‘সুতরাং` ছবির নায়িকা হিসেবে অভিনয় জীবনের শুরু কবরীর। প্রথম ছবিতেই তিনি মুগ্ধ করেছিলেন বাংলার মানুষদের। সেই মুগ্ধতার রেশ আজো কাটেনি। এখনো অনেককেই দেখা যায় কবরীর মিষ্টি হাসি আর মন ভুলানো অভিনয়ের কথা মনে করে নস্টালজিক হতে। সুতারাং ছবির পর তিনি অভিনয় করেছেন হীরামন, ময়নামতি, চোরাবালি, পরুলের সংসার, বিনিময়, আগন্তুক`সহ জহির রায়হানের তৈরি উর্দু ছবি ‘বাহানা` এবং ভারতের চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের ছবি ‘তিতাস একটি নদীর নাম` উল্লেখযোগ্য। তবে বাংলাদেশের বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার আবদুল্লাহ আল মামুনের পরিচালনায় শক্তিমান অভিনেতা ফারুকের বিপরীতে ‘সারেং বউ’ ছবিতে দুর্দান্ত অভিনয় চিরকাল অমর করে রাখবে কবরীকে। 
রাজনৈতিক জীবন
২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
এলএ/পিআর