কারাগারে শিল্পী আদনান বাবু
প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হাতে আটক কণ্ঠশিল্পী আদনান বাবুকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ৩ এপ্রিল তাকে আদালেতে পাঠানো হয়। এর আগে ২ এপ্রিল মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করে দুদক।
বিষয়টি দীর্ঘদিন গোপন রাখা হলেও বৃহস্পতিবার দুদক পরিচালক উইং কমান্ডার তাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। দুদক সূত্র জানায়, মানিকগঞ্জের বারাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে বরাদ্দপত্র পাইয়ে দেয়ার কথা বলে প্রধান শিক্ষক শাহ মো. রফিকুল ইসলামের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন আদনান বাবু।
প্রকৃত নাম শরীফ হোসেন হলেও সঙ্গীত জগতে তিনি আদনান বাবু নামে পরিচিত। তবে মাহবুব নামে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সেকশন অফিসার পরিচয়ে স্কুল শিক্ষকের কাছ থেকে অর্থ দাবি করেন আদনান বাবু।
বারাদিয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহ মো. রফিকুল ইসলাম জানান, আদনান বাবু কাজটির জন্য ৫ লাখ টাকা চাইলেও তিনি ৩ লাখ টাকার কম দিলে অর্থ বরাদ্দ হবে না মর্মে সাফ জানিয়ে দেন। ঘুষের প্রথম কিস্তির ৫০ হাজার টাকা দিলে বরাদ্দপত্রের ফটোকপি এবং বাকি আড়াই লাখ টাকা দিলে বরাদ্দের মূল কপি দেয়া হবে বলে জানান আদনান।
পরে প্রধান শিক্ষক বিষয়টি শিক্ষাসচিব এনআই খানকে অবহিত করেন। শিক্ষাসচিব প্রতারক চক্রকে পাকড়াও করতে দুদক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামানের সহায়তা চান। দুদক ফাঁদ পেতে ২ এপ্রিল আদনান বাবুকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারে নেতৃত্ব দানকারী দুদক পরিচালক উইং কমান্ডার তাহিদুল ইসলাম বলেন, আদনান বাবুর মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিএ/এমএস