বিমানে ওঠার আগে আমির খানের অদ্ভুত অভ্যাস প্রকাশ্যে

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৪১ এএম, ০২ মে ২০২৬
আমির খান। ছবি: সংগৃহীত

বলিউড সুপারস্টার আমির খান বিমানে ওঠার আগে একটি বিশেষ চিঠি লিখে রাখেন- সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনই অজানা অভ্যাসের কথা প্রকাশ করেছেন তিনি। এতদিন বিষয়টি গোপন থাকলেও এবার নিজেই জানিয়েছেন সেই অদ্ভুত কিন্তু সতর্কতামূলক প্রস্তুতির কথা।

আমির খান বলেন, বিমান দুর্ঘটনার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির আশঙ্কা থেকেই তিনি এই ব্যবস্থা নেন। তার ভয়, যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যায়, তাহলে যেন তার কাজ করা সিনেমাগুলো থেমে না যায় বা অসম্পূর্ণ না থেকে যায়।

তিনি জানান, শুটিং শেষ হওয়ার পর পোস্ট-প্রোডাকশনের সময়েই তিনি সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় থাকেন। এই সময় তিনি তার চাচাতো ভাই ও পরিচালক মনসুর খানের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন এবং প্রায়ই তাকে উদ্দেশ করে একটি চিঠি লিখে রেখে যান।

আমির বলেন, ‘শুটিং শেষ হয়ে যখন সিনেমা পোস্ট-প্রোডাকশনের পর্যায়ে থাকে, তখন বিমানে ওঠার আগে আমি মনসুরকে একটা চিরকুট লিখি। আমার ভয় থাকে, যদি আমার কিছু হয়ে যায়, তাহলে যেন সিনেমার কাজ থেমে না যায়। তাই আমি তাকে অনুরোধ করি সব দায়িত্ব বুঝে নিতে।’

তিনি আরও জানান, শুধু মনসুর খানই নন, তার সাবেক স্ত্রী কিরণ রাও-কেও এই বিষয়টি জানিয়ে রেখেছেন তিনি। তার মতে, মনসুর খানের সৃজনশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার ওপর তার পূর্ণ ভরসা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ভোটের বন্যায় ভাসলেন থালাপতি বিজয়, প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত
মুখ্যমন্ত্রী হলে তামিলনাড়ুর ভাগ্য বদলাতে যা যা করবেন থালাপতি বিজয়

প্রসঙ্গত, আমির খান ও মনসুর খান একসঙ্গে উপহার দিয়েছেন একাধিক জনপ্রিয় সিনেমা, ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তক’, ‘জো জিতা ওহি সিকান্দার’ এবং ‘অকেলে হাম অকেলে তুম’ । যদিও ২০০০ সালে ‘জোশ’র পর মনসুর খান পরিচালনা থেকে দূরে সরে যান, তবুও আমির খানের কাছে তিনি এখনো অন্যতম নির্ভরতার জায়গা।

পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ‘জানে তু ইয়া জানে না’ সিনেমায় তাকে সৃজনশীল প্রযোজক হিসেবে যুক্ত করেন আমির। সাম্প্রতিক সময়ে তার ছেলে জুনেইদ খান ও সাই পল্লবী অভিনীত ‘এক দিন’ সিনেমাতেও তিনি একই পন্থা অনুসরণ করেছেন।

এমএমএফ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।