প্রাণী প্রেমী জয়া আহসান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৫৪ পিএম, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮

অভিনেত্রী জয়া আহসান। টিভি নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও সুনাম অর্জন করেছেন। এ সময়ের ব্যস্ত এই অভিনেত্রী যে কতটা প্রাণী প্রেমী তা দেখা গেলো। বিকলাঙ্গ ও অসুস্থ প্রাণীদের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা সময় কাটালেন তিনি।

রোববার ঢাকার খিলগাঁওয়ে অবস্থিত রবিনহুড দ্যা রেসকিউট অ্যানিমেল পরিবারের প্রায় ৫০টি কুকুর বিড়াল নিয়ে আনন্দঘন মুহূর্ত পার করেন তিনি। পুরো সময়টুকো তিনি ফেসবুক লাইভে ছিলেন।

শহরের রাস্তা-ঘাট, অলিগলিতে আহত প্রাণী উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে আশ্রয় দেন রবিনহুড দ্যা রেসকিউট অ্যানিমেলের প্রতিষ্ঠা অভিনেতা আফজাল খান। শুধু তাই নয়, বসতবাড়ির ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আটকে পড়া প্রাণী উদ্ধার করে থাকেন তিনি। বর্তমানে তার বাড়ির ছাদে প্রায় ৫০টি শারীরিক ও মানসিক রোগে আক্রান্ত কুকুর-বিড়াল লালিত-পালিত হচ্ছে। প্রাণীদের প্রতি অধিক ভালোবাসা থেকে তিনি ২০১০ সাল থেকে এ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হন।

জাগো নিউজকে আফজাল খান বলেন, প্রায় আট বছর ধরে আমি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে কুকুর-বিড়াল উদ্ধার করছি। এমন প্রায় ৫০টি কুকুর-বিড়াল আমার নিজ বাড়ির ছাদে লালন-পালন করছি। অনেক সময় বিভিন্ন অভিনেতা-অভিনেত্রী প্রাণীদের প্রেমে এখানে আসেন। আদর-যত্ন করেন। প্রাণীদের প্রতি জয়া আহসানেরও অনেক প্রীতি রয়েছে। অনেক ব্যস্তবার পরও তিনি এসব প্রাণীর খোঁজ-খবর নিয়েছেন। সন্তানের মতো প্রাণীদের আদর করেছেন। এসব প্রাণীর কল্যাণে কাজ করে যাবেন বলেও আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, আমাদের সমাজে অনেক কুকুর-বিড়াল অনাহারে-অর্থহারে দিন পার করছে। মানুষের দ্বারা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এসব প্রাণী। সব প্রাণীর বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। এসব প্রাণীকে সুস্থ-সুন্দর পরিবেশে বাঁচিয়ে রাখতে আমি কাজ করে যাচ্ছি। আর্ধিক সংকটের কারণে এটি আমার একার পক্ষে চলিয়ে নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। সমাজের ভারসাম্য রক্ষায় এদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। দেশের স্বচ্ছল মানুষদের আর্ধিক সহায়তা পেলে এ কাজ চালিয়ে নেয়া সম্ভব হবে।

এমএইচএম/জেডএ/আরআইপি

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]