দেড় বছর পর মাংস খেয়েছেন মারজুক রাসেল

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:৪৯ পিএম, ০৫ আগস্ট ২০২০

কবি মারজুক রাসেল যাদের সঙ্গে মিশেন বা যারা মারজুক রাসেলের সঙ্গে সবাই খুব ভালো করে জানেন গান-কবিতা লেখার পাশাপাশি বর্তমানে তিনি অভিনয়েও তুমুল মনোযোগী। বলা চলে সময়ের ব্যস্ত অভিনেতার নাম এখন মারজুক রাসেল। নাটক-টেলিছবিতে তার উপস্থিতি মানেই ‘হাউজফুল’ দর্শক।

সেই সঙ্গে এটাও অজানা থাকার কথা নয় যে, মারজুক রাসেল এখন নিরামিষভোজী। দেড় বছর হয় তিনি মাংস খাওয়া বাদ দিয়েছেন। শুধু মাংসই নয়, মাছ, ডিম, দুধসহ যাবতীয় প্রাণিজ খাদ্যদ্রব্য এবং তেল, ঘি, চিজ, মাখনও খান না।

এসব খাদ্যের ক্ষতিকর দিক ভেবেই তিনি এগুলো খাওয়া ত্যাগ করেছেন। তার ফেসবুকে যারা চোখ রাখেন তারা জানেন যে মারজুক রাসেল প্রতিদিনই তেল ছাড়া রান্নার বিভিন্ন প্রণালি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেন। ফরমালিন ও কেমিক্যালমুক্ত অরগানিক শাকসবজি, ফলমূল, চাল, ডাল ইত্যাদি নানা জায়গা থেকে সংগ্রহ করেন এবং সেগুলো আহার করেন।

তার এই খাদ্যাভ্যাসের ছন্দপতন ঘটলো অবশেষে। নির্মাতা মাইদুল রাকিব পরিচালিত একটি নাটকে অভিনয় করতে গিয়ে গরুর মাংস খেতে হলো মারজুক রাসেলকে। এ নাটকের নামই ‘গরুর মাংস’। এখানে গল্প ও চরিত্রের প্রয়োজনে দেড় বছর পর গরুর মাংস খেলেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘যেসব খাদ্য শরীরের জন্য ক্ষতিকর সেসব এড়ায়া চলি। মাছ, মাংস, তেল, চর্বি আমাদের শরীর ও পরিবেশের জন্য মোটেও উপকারী নয়। এজন্য আমার খাদ্যাভ্যাস থেকে এসব বাদ দিছি। মাংস খাওয়া ছাড়ছি প্রায় দেড় বছর আগে। কিন্তু নাটকের চরিত্রের জন্য এবার খাইলাম। তাও ওই দৃশ্যধারণ পর্যন্তই। ছাইড়া দেওয়া অনেক কিছুই চরিত্রের প্রয়োজনে আগেও ধরছি, তাও ওই দৃশ্যধারণ পর্যন্তই, যেমন সিগারেট। আমি ধূমপান করি না।

এদিকে ‘গরুর মাংস’ নাটকটি প্রচারে এসেছে। সেটি দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতাও পেয়েছে। যার ফলে বাংলাদেশের ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ে গেল রোববার এক নম্বর অবস্থান দখল করে নেয় এটি। গরুর মাংস খাওয়ার লোভকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে এই নাটকের কাহিনি। যার শেষটা হয় করুণ আবহে।

মারজুক রাসেল ছাড়া এ নাটকে আরও অভিনয় করেছেন তামান্না আজমির, চাষী আলম ও তানজিম হাসান অনিক। নাটকটি প্রযোজনা করেছে সিডি চয়েস।

প্রসঙ্গত, এবার ঈদে আরও বেশকিছু নাটকে কাজ করেছেন মারজুক রাসেল। সেগুলো হলো মাবরুর রশিদ বান্নাহর ‘আমার অপরাধ কী’, আলোক হাসানের ‘চিলে কোঠার বাদশা’, কাজল আরেফিন অমির ‘মাস্ক’, সহিদ উন নবীর ‘কুফা’, ইমরাউল রাফাতের ‘বাঘের খাঁচা’, হিমু আকরামের ‘বেদানা বিবির বিন্নি’, নাজমুল রনির ৭ পর্বের ধারাবাহিক ‘কে-কম্পানি’।

এলএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]