কাঞ্চন-পিঙ্কির বিবাহবিচ্ছেদ

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৩৫ পিএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

অনেক আলোচনা-সমালোচনার পর অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক ও পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়েছে। জানা গেছে, গত ১০ জানুয়ারি তাদের বিবাহবিচ্ছেদের পক্ষে রায় দিয়েছে ভারতীয় আদালত।

কয়েক বছর আগে কাঞ্চন-পিঙ্কির বৈবাহিক জীবনে ঝড় ওঠে। একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। বেশ কিছু দিন চলতে থাকে অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগের পালা।

এদিকে ছোটপর্দার অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের সঙ্গে কাঞ্চন ‘পরকীয়া’য় জড়িয়েছেন বলে টালিউডে খবর ছড়িয়ে পড়ে । এরপর থেকেই দম্পতি আলাদা থাকতে শুরু করেন।

সমালোচকরা বলেন, কাঞ্চন-পিঙ্কির বিচ্ছেদের নেপথ্যে অভিনেতার ‘পরকীয়া’ই দায়ী। পরবর্তী সময়ে একে অপরের কাছ থেকে বিবাহবিচ্ছেদ চেয়ে পরে তারা আদালতের দ্বারস্থ হন।

অবশেষে গত মাসে এ যুগলের আইনি বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়েছে। টালিউডে এরকম খবরও শোনা যাচ্ছে, বিবাহবিচ্ছেদ পেতে পিঙ্কিকে মোটা অংকের অর্থ খোরপোশ দিতে হয়েছে কাঞ্চনকে।

কাঞ্চন-পিঙ্কির বিবাহবিচ্ছেদ

এ প্রসঙ্গে ভারতীয় একটি গণমাধ্যম কাঞ্চনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি খুব বেশি মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, ‘খবরটা সত্য। এর বেশি আমি কিছু বলতে চাই না।’ অন্যদিকে পিঙ্কি বলেন, ‘হ্যাঁ। আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। কাজের মধ্যে ডুবে আছি। ভালো আছি।’ কাঞ্চন-পিঙ্কির পুত্র ওশ এখনো প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি। তাই আপাতত আদালত তাকে মায়ের সঙ্গেই থাকার অনুমতি দিয়েছে।

বর্তমানে পিঙ্কি ‘স্বয়ংসিদ্ধা’ এবং ‘কনস্টেবল মঞ্জু’ সিরিয়ালের শুটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি একটি নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলও খুলেছেন। অন্যদিকে উত্তরপাড়ার বিধায়ক কাঞ্চনকে এখন শ্রীময়ীর সঙ্গে প্রায়শই টালিপাড়ার বিভিন্ন পার্টিতে দেখা যায়।

অভিনেত্রীকে কাঞ্চনের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিও পোস্ট করতে দেখা যায়। কাঞ্চন যে শ্রীময়ীর সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করতে চান, সে খবরও টলিপাড়ার দীর্ঘদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। কিন্তু সেখানে বাধা ছিল বিবাহবিচ্ছেদ। আগামীদিনে কাঞ্চন-শ্রীময়ী বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন কিনা তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন তাদের ভক্তরা।

এমএমএফ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।