ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘আম্ফান’ হলো যেভাবে

ফিচার ডেস্ক
ফিচার ডেস্ক ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৪৩ পিএম, ১৮ মে ২০২০

ঘূর্ণিঝড় একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বছরের নভেম্বর কিংবা মে মাসের দিকে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। দেশের আবহাওয়া অধিদফতর ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করে ২০০৭ সাল থেকে। এর আগে একটা সময় ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের নামকরণ হতো না। তাই তো ২০০৭ সালের নভেম্বরে আঘাত হানা প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখা হয় ‘সিডর’।

তখন থেকেই বিভিন্ন সময় আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করা হয়। যেমন- সিডর, আইলা, মহাসেন, রোয়ানু, মোরা, নার্গিস, ফণী ও বুলবুল ইত্যাদি। তারই ধারাবাহিকতায় এবার আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখা হয়েছে ‘আম্ফান’।

alphan

জানা যায়, এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘আম্ফান’ রেখেছে থাইল্যান্ড। ইতোমধ্যে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে চলেছে। আগামীকাল মঙ্গলবার বা তার পর দিন বুধবার এটি স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে বলে জানায় আবহাওয়া বিভাগ।

২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড়টি আছড়ে পড়লেও এর নামকরণ হয়েছিল আজ থেকে ১৬ বছর আগে। অর্থাৎ ২০০৪ সালে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সভায় আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগরের সাইক্লোনের নামকরণ নিয়ে একটি ঐকমত্য হয়। তখন এ অঞ্চলের ঝড়ের নাম দেওয়া শুরু হয়।

amfan

সূত্র জানায়, ক্রান্তীয় অঞ্চলের ৮টি দেশ প্রথমবার ২০০৪ সালে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য ৬৪টি নামের একটি তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকার শেষ নামটি ছিল ‘আম্ফান’। প্রথম তালিকা শেষ হয়ে যাওয়ার পর আবারও একটি নতুন নামের তালিকা তৈরি হয়। এবারের তালিকায় ১৩টি দেশ মিলিয়ে ১৬৯টি নাম দিয়েছে।

ফলে পূর্বনির্ধারিত একটি নামের তালিকা থেকে একেকটি ঝড়ের নাম দেওয়া হয়। কোনো ঝড়ের গতিবেগ যদি ঘণ্টায় ৩৯ মাইল হয়, তাহলে তাকে একটি নাম দেওয়া হয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া অফিসগুলো এ দায়িত্ব পালন করে। ঘূর্ণিঝড়ের এমন নাম দেওয়ার কারণ সব শ্রেণির মানুষ যেন সহজে মনে রাখতে পারে।

এসইউ/পিআর