প্রেমিকাকে আজ চকলেট দিচ্ছেন, ইতিহাস জানেন কি?

ফিচার ডেস্ক
ফিচার ডেস্ক ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:১১ পিএম, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ফেব্রুয়ারি মাসটি পুরো বিশ্বের মানুষের কাছেই বিশেষ। বিশেষ করে প্রেমিক-প্রেমিকার জন্য। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে যায় নানান দিবস। রোজ ডে, প্রোপজ ডে, চকলেট ডে, টেডি ডে, প্রমিজ ডে, হাগ ডে, কিস ডে এবং সবশেষে ভ্যালেন্টাইন’স ডে।

আজ ৯ ফেব্রুয়ারি সেই ধারাবাহিকতায় চকলেট ডে। প্রেমিক বা প্রেমিকার জন্য গত দুদিন গোলাপ নিয়েছেন, প্রপোজও নিশ্চয়ই করেছেন। আজ চকলেট দিয়ে তাকে খুশি করেছেন। কিন্তু জানেন কি, এই দিনটির ইতিহাস? কীভাবে এলো এই দিবস উদযাপনের রীতি। কে-ই বা শুরু করেছিলেন এই দিবস। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

আরও পড়ুন
* ভয়ংকর এই দ্বীপ থেকে মহাকাশ সবচেয়ে কাছে!

মূলত এটি একটি খ্রিস্টান অনুষ্ঠান। সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে সম্মানিত করা হয় এই দিনে। অনেক দেশে এটি সংস্কৃতির দিক থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে স্বীকৃত কিন্তু কোনো দেশেই সরকারি ছুটির দিন হিসেবে বিবেচিত হয় না। ভিক্টোরিয়ান সময় থেকে পুরুষ এবং নারীরা একে অপরকে যে উপহার দিয়েছিলেন তার খুব বড় অংশ ছিল চকলেট।

ওয়াশিংটন ডিসি-তে স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট অনুসারে, ১৯ শতকে একটি ব্রিটিশ পরিবার তাদের কোকো মাখন ব্যবহার করার উপায় খুঁজছিল। রিচার্ড ক্যাডবেরি যার সমাধান বাতলে দেন।

ভিক্টোরিয়ান যুগে রিচার্ড ক্যাডবেরি নামে এক চকলেট-বিক্রেতা হার্ট-শেপড বাক্সে চকলেট ভরে বিক্রি করতেন ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহে। সেখান থেকে মনের মানুষকে চকলেট উপহার দেওয়ার রীতি দেখতে দেখতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তবে শুধুই হার্ট-শেপড বক্সে নয়, ক্যাডবেরির কোম্পানি এখন নানা রকম চকলেট তৈরি করে থাকে, যা চকোলেট ডের পাশাপাশি সারা বছর ধরেই বিক্রি হয়।

১৯৫০ সাল থেকে জাপানেও ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে চকলেট উপহার দেওয়ার প্রথা শুরু হয় মোরোজফ নামের এক চকলেট প্রস্তুতকারী সংস্থার হাত ধরে। তবে ওই দেশে কেবল প্রেমিকারাই চকোলেট উপহার দেন পুরুষদের। এভাবেই শুরু হয় চকলেট ডে উদযাপন।

আরও পড়ুন
* বিশ্বের সবচেয়ে ধনী পরিবার চেনেন কি?
* সসে ডুবিয়ে টুথপিক ভাজা খাচ্ছেন কোরিয়ানরা

সূত্র: ন্যাশনাল টুডে, হিন্দুস্থান টাইমস

কেএসকে/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।