ফাস্ট ফুড সংস্কৃতি থেকে আগামী প্রজন্মকে মুক্ত করতে হবে


প্রকাশিত: ০২:১১ পিএম, ০৭ এপ্রিল ২০১৬

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ‘ফাস্ট ফুড’ এর সংস্কৃতি থেকে আগামী প্রজন্মকে মুক্ত করতে হবে।  ফাস্ট ফুড খাওয়ার ফলে ছেলে-মেয়েরা বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছে। স্বাস্থ্য সম্পর্কে সন্তানকে সচেতন করে তুলে ফাস্টফুড ও তামাক থেকে দূরে রাখতে হবে। তাদের শারীরিক ব্যায়াম ও পরিশ্রমে উৎসাহিত করতে পিতামাতাকে প্রধান ভূমিকা রাখতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এ সব কথা বলেন। ‘সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করুণ : ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে রাখুন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বৃহস্পতিবার বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও পালিত হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।

স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মন্জুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দীন মো. নূরুল হক, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন এনডিসি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি এন পারানিথারান, বিএমএ সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আগামী বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য অর্থমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সীমিত বাজেট নিয়ে স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশের সাফল্য তৃতীয় বিশ্বের যে কোন দেশর জন্য উদাহরণ। তবে জনগণের দোড় গোড়ায় আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে হলে এ খাতে আরও বেশি বাজেট বরাদ্দ করতে হবে যাতে আমরা বিদেশি সাহায্যের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে পারি।

তিনি বলেন, ধনী জনগোষ্ঠীর জন্য দেশে-বিদেশে অনেক উন্নত হাসপাতাল আছে। গরীব জনগণের জন্য একমাত্র আশ্রয় সরকারি হাসপাতাল। তাই তৃণমূলের গবীর মানুষদের সঠিক ভাবে সেবা দিতে এবং স্বাস্থ্য সেবাকে সম্প্রসারিত করতে হলে আমাদের স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

বিভিন্ন শর্ত আরোপের ফলে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগী সংস্থাদের অর্থ ছাড়ে গতি কমে যাচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সব কাজ পরিচালিত হচ্ছে। যন্ত্রপাতিসহ যে কোনো কেনাকাটায় পৃথক কমিটি করা হয়েছে। কোন যন্ত্রপাতি কেনার প্রয়োজন হলে এই কমিটির অনুমোদন লাগে। জনবল নিয়োগ ও পদোন্নতির জন্য পৃথক কমিটি আছে। কারো একক সিদ্ধান্তে কোনো কাজ হয় না। তারপরও দাতা সংস্থারা নানা অজুহাতে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে না। অর্থ কাটছাঁট করছে।

কারো কাছে মাথা নত না করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পূর্ণ দেশিয় অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছেন’ এই উদাহারণ তুলে ধরে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বন্ধুর পরামর্শ নিবে, কিন্তু কোনো শর্ত মেনে কাজ করবে না।

এমইউ/এআরএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।