গণহত্যা চালানো ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে বহুজাতিক সেনাদের উপস্থিতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:১২ পিএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইসরায়েলি হামলায় বাস্ত্যুচ্যুত এক ফিলিস্তিনি মা ও শিশু/ ছবি: এএফপি

একুশ শতকের বিশ্বে সবচেয়ে নৃশংস গণহত্যা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। দখলদার বাহিনীর আগ্রাসনে ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। এ গণহত্যায় অংশ নেওয়া সামরিক সদস্যদের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে খোদ ইসরায়েল।

কতজন সেনা ইসরায়েলি নাগরিকত্বের পাশাপাশি অন্য দেশের নাগরিকত্ব বহন করছেনন সে বিষয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী প্রথমবারের মতো তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রকাশিত ডেটা অনুযায়ী, ৫০ হাজার ৬৩২ জন সক্রিয় সৈন্যের অন্তত একটি অতিরিক্ত নাগরিকত্ব রয়েছে। সবচেয়ে বড় সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের (১২,১৩৫ জন), এরপর ফ্রান্সের (৬,১০০), রাশিয়ার (৫,০০০), এবং ব্রিটেনের (২,০৬৯ জন) নাগরিকদের। এছাড়াও রোমানিয়া, পোল্যান্ড, ইতালি, কানাডা, হাঙ্গেরি, লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর নাগরিকত্বধারী সৈন্যও রয়েছেন।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ৪ হাজার ৪৪০ জন সেনার দুটি বিদেশি নাগরিকত্ব রয়েছে, আর ১৬২ জনের তিন বা তার বেশি বিদেশি পাসপোর্ট রয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি সেনারা গাজার ওপর যে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে, তাতে বহু সংখ্যক বহুজাতিক সৈন্যের অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক আইনি তদারকি বৃদ্ধি পেয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ বড়ো মানবাধিকার সংস্থা স্বাধীন তদন্ত ও দেশীয় নাগরিকদের কর্মকাণ্ড পরীক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছে।

কানাডা, ব্রিটেন ও বেলজিয়ামে এর মধ্যেই আইনি অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। এসব দেশে সন্দেহভাজন বহুজাতিক সৈন্যদের সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে।

দুই বছরের গাজার সংঘাতের ফলে প্রায় ৭২ হাজারের ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি আহত হয়েছে। পাশাপাশি গাজার ৯০ শতাংশ নাগরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

কেএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।