অ্যারোসেন্টিনেল
ইসরায়েলি ড্রোন ও শিল্প কারখানায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইসরায়েলি অ্যারোস্পেস কোম্পানি অ্যারোসেন্টিনেল। উৎপাদন কেন্দ্রটির নিকটবর্তী এলাকায় প্রায় ৪০০ কেজির একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ভোররাতের দিকে এই হামলা চালানো হয়।
এদিকে শুক্রবার( ৩ এপ্রিল) রাতভর ইসরায়েলে দক্ষিণ ও কেন্দ্রীয় অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ইসরায়েলের নেগেভ অঞ্চলের একটি শিল্প কারখানা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া পেতাহ তিকভা ও রশ হা’আইন শহর এবং ব্রাক শহরেও হামলা চালানো হয়েছে। এতে ব্রাক শহরে এক ব্যক্তি আহত হওয়ার খব পাওয়া গেছে।
অ্যারোসেন্টিনেল কোম্পানিটি সংক্ষিপ্ত ও মাঝারি দূরত্বের ড্রোন তৈরি করে। এই ড্রোন সীমান্ত পেট্রোল, কৌশলগত অপারেশন, নজরদারি ও গোয়েন্দা মিশনে ব্যবহৃত হয়। ড্রোনগুলো ৯০ মিনিট পর্যন্ত উড়ানের সময় সহ কম শব্দে তথ্য প্রেরণ করতে সক্ষম।
জানা গেছে, এই কোম্পানির তৈরি ড্রোনগুলো অপারেশন রোয়ারিং লায়ন অভিযানের সময় গুপ্ত অপারেশনে ব্যবহার করা হয়েছে।এই ড্রোনের মাধ্যমেই শত্রু বাহিনী শনাক্ত করা এবং ফোর্স প্রোটেকশন প্রদান করা হয়েছিল।
মাগেন ডেভিড আডম এবং ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ জানিয়েছে, তাদের বাহিনী কেন্দ্রীয় ইস্রায়েলে হামলা হওয়া স্থানে পৌঁছাচ্ছে এবং জনসাধারণকে সেই এলাকার কাছাকাছি না থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
অ্যারোসেন্টিনেল কোম্পানির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমাদেরকে উচ্চ-মূল্যের কৌশলগত লক্ষ্য হিসেবে টার্গেট করা হয়েছে, যা আমাদের সিস্টেমের গুণমান, প্রাসঙ্গিকতা ও কার্যকরী গুরুত্ব প্রদর্শন করে।
বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, ফ্যাক্টরিতে সরাসরি আঘাতের পরও আমাদের দলের অসাধারণ সহনশীলতা, পেশাদারিত্ব এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞার ফলে শেষ ২৪ ঘণ্টায় গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান, সক্ষমতা এবং মূল কার্যকরী সম্পদ সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে, যা আমাদের যত দ্রুত সম্ভব কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে সাহায্য করবে।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট
কে এম