নেপালে নিহতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যাবে


প্রকাশিত: ১২:৪৩ পিএম, ২৫ এপ্রিল ২০১৫

উপমহাদেশজুড়ে শনিবার দুপুরে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নেপালে নিহতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে যাবে। ইতোমধ্যে প্রায় ৭০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ভূকম্পনের আঘাতে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির রাজধানী। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে কাঠমান্ডু। খবর বিসিসি ও রেডিও তেহরান।

নেপালে আঘাত হানা প্রথম ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৯ মাত্রা। এ ছাড়া আরও বেশ কয়েকটি আফটার শক আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল কাঠমান্ডু থেকে ৪৯ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১১ কিলোমিটার গভীর থেকে এর উৎপত্তি। আমেরিকার ভূতাত্বিক জরিপ অধিদফতর থেকে জানানো হয়, স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৫৬ মিনিটে ভূমিকম্পটি প্রথম আঘাত হানে।

নেপালের বিভিন্ন জায়গায় বিধ্বংসী চেহারা দেখা যাচ্ছে। জনজীবন বিপর্যস্ত। কম্পন অনুভূত হতেই বাইরে বেরিয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ। তবে তার আগেই ভেঙে পড়ে বহুতল। ফাটল ধরে রাস্তায়। আহত হয়েছেন বহু মানুষ।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভারতে ভূমিকম্পে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বিহারেই ৯ জন। বিবিসির খবরে বলা হয়, নেপালের পাশাপাশি বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানেও জোরালোভাবে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। নেপালের ভূমিকম্পের জেরেই কেঁপে উঠেছে সমগ্র অঞ্চল।
 
এ দিকে ভূমিকম্পে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর বিখ্যাত দারাহারা বা ভীমসেন টাওয়ার ধ্বংস হয়ে গেছে। ১৮৩২ সালে নির্মিত নয়তলা এ টাওয়ারটির উচ্চতা ছিল ৬১.৮৮ মিটার। বিধ্বস্ত টাওয়ারে অন্তত ৫০ জন আটকা পড়েছেন।  
 
নেপালের ভূমিকম্পে এভারেস্ট পর্বতে ধস নামার খবর পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের পর কাঠমন্ডু বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। দশরথ স্টেডিয়ামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

এর আগে ১৯৩৪ সাল ৮.৩ মাত্রার ভূমিকম্পে নেপালে সাড়ে আট হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল।


ভূমিকম্প নিয়ে আরও কিছু সংবাদ...

## ভূমিকম্পে নেপালে নিহত ৪৫০
## বিধ্বস্ত নেপাল (দেখুন ছবিতে)
## ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা
## ভূমিকম্পে ভেঙে পড়লো ধারাহারা টাওয়ার (ভিডিও)
## ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি দেখতে দার্জিলিং যাচ্ছেন মমতা


বিএ/আরআইপি


পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।