শক্তিশালী যত ভূমিকম্প
নেপালে স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতিহাসে এর চেয়েও ভয়াবহ ভূমিকম্পের নজির রয়েছে। কোনো কোনো ঘটনায় নিহতের সংখ্যা লক্ষাধিক। গত ৩০ বছরের ইতিহাসে বিধ্বংসী ভূমিকম্পের খতিয়ান এখানে তুলে ধরা হলো-
১১ আগস্ট ২০১২ : ইরানের তাবরিজ শহরে ৬.৩ থেকে ৬.৪ মাত্রার দুটি ভূমিকম্পে ৩ হাজার ৬ জন নিহত ও ৩ হাজারেরও বেশি আহত হয়।
১১ মার্চ ২০১১ : জাপানের উত্তর-পূর্ব উপকূলে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে সৃষ্ট বিশাল সুনামিতে প্রায় ১৯ হাজার নিহত হয়। ফুকুশিমা দাইচি পরমাণু চুল্লিতে ফাটল দেখা দেয় ও তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে বিশাল এলাকাজুড়ে।
১২ জানুয়ারি ২০১০ : ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে হাইতিতে আড়াই থেকে তিন লাখ মানুষ প্রাণ হারায়।
১৪ এপ্রিল ২০১০ : ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে চীনের উত্তর-পশ্চিম এলাকার কুইনংহাই প্রদেশের ওশো জেলায় অন্তত তিন হাজার মানুষ নিহত হয়।
১২ মে ২০০৮ : ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে চীনের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রদেশ সিচুয়ানে ৮৭ হাজারেরও বেশি নিহত হয়।
২৭ মে ২০০৬ : ভূমিকম্পে ইন্দোনেশিয়ার জুগিয়াকার্তা এলাকায় ৬ হাজার নিহত এবং গৃহশূন্য হয়ে পড়ে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ।
৮ অক্টোবর ২০০৫: ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম এলাকা এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর এলাকায় ৭৫ হাজারেরও বেশি নিহত হয়। ৩৫ লাখ লোক গৃহহীন হয়ে পড়ে।
২৬ ডিসেম্বর ২০০৪ : সাগরতলে ভূমিকম্পের সৃষ্ট সুনামিতে ভারত মহ্সাগরের উপকূলীয় দেশগুলোতে আড়াই লাখ মানুষ নিহত হয়। শুধু ইন্দোনেশিয়াতেই নিহত এক লাখ ৬৮ হাজার।
২৬ ডিসেম্বর ২০০৩ : ইরানের বাম শহরে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৩২ হাজার নিহত ও আহত আরও ১৮ হাজার।
২৬ জানুয়ারি ২০০১ : ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ভারতের গুজরাটে অন্তত ২৫ হাজার নিহত এবং আহত এক লাখ ৬৬ হাজার।
২৮ জুলাই ১৯৭৬ : ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে চীনের হেবেই প্রদেশের তাংশানে আঘাত হানে। নিহত আড়াই লাখ। সূত্র : এএফপি
বিএ/পিআর