থাকসিন সিনাওয়াত্রার পাসপোর্ট বাতিল
থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার পাসপোর্ট বাতিল করেছে জান্তা সরকার। বুধবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একথা জানিয়েছে। এদিকে একই দিনে দেশটির সাধারণ নির্বাচনও আরেক দফা পেছানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। জান্তা সরকারের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুত চান-ওচার মুখপাত্র সাধারণ নির্বাচন পেছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বুধবার থাইল্যান্ডের পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার পাসপোর্ট বাতিলের কথা জানায় অপরাধ মন্ত্রণালয়। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, থাকসিনের সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকার থেকে তাকে `জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি` বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। থাই পুলিশ থাকসিনের সাক্ষাৎকারের একটি অংশকে জাতীয় নিপাত্তার জন্য হুমকি মনে করায় এ পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
এর ফলে থাকসিনের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়। তবে থাকসিনের কোন সাক্ষাৎকারের কথা বলা হচ্ছে তা স্পষ্ট নয়। কেন-ই বা তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে সে সম্পর্কেও কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
এর আগে ২০০৬ সালে এক অভ্যুত্থানে থাকসিন ক্ষতাচ্যুত হন এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। শাস্তি এড়াতে দেশ ছেড়ে পালান থাকসিন।
এদিকে বুধবার থাই জান্তা সরকার নিশ্চিত করেছে, সাধারণ নির্বাচন ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরের আগে অনুষ্ঠিত হবে না। এর ফলে জান্তা সরকার যে নির্বাচিত কোনো সরকারের হাতে সহসাই ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অনাগ্রহী তা বেশ স্পষ্ট হয়ে পড়েছে।
জেনারেল প্রায়ুত চান-ওচার মুখপাত্র ওয়ারাচন সুকোনধাপাতিপাক বলেন, `প্রধানমন্ত্রী সেপ্টেম্বরে (২০১৬) নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ভাবছেন।`
এর আগেও নতুন সংবিধান তৈরির কথা বলে বেশ কয়েকবার নির্বাচনের সময় পিছিয়েছেন প্রায়ুত চান-ওচা। নতুন করে সংবিধান তৈরির এই প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জনপ্রিয় দলকে পাশ কাটিয়ে সামনের নির্বাচনে দেশের অভিজাত মহল ও ছোট দলগুলোকে সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা।
এআরএস/পিআর