করোনার মধ্যেও চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধ, সংকটে বিশ্ব অর্থনীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৪৬ এএম, ২০ মে ২০২০
চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

মহামারি নভেল করোনাভাইরাস নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন একে অপরকে দোষারোপ করার মধ্য দিয়ে যে উত্তেজনা ফের তৈরি হয়েছে তাতে করে বিশ্বের দুই সর্ববৃহৎ অর্থনীতির দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বাণিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তিতে ভঙ্গুর হলেও সম্প্রতি প্রণীত প্রথম দফার যে চুক্তিটি আশা জাগিয়েছিল তা আবার ভেঙ্গে পড়েছে।

দুই বছর আগে যখন দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে বিরোধ শুরু হয়েছিল তখন তা বিশ্ব অর্থনীতিকে যে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছিল। কিন্তু এই মহামারি বিশ্ব অর্থনীতিকে তার চেয়েও বেশি অনিশ্চিত এক অবস্থায় ফেলেছে। যদি এর মধ্যে এই দেশ দুটির বাণিজ্য বিরোধ আবার মাথাচাড়া দেয় তাহলে কেউ এর বিনাশ হয়তো ঠেকাতে পারবে না।

উভয় দেশই ভাইরাসটির হানায় বিপর্যস্ত। দুই দেশের অর্থনীতি কয়েক দশকের মধ্যে মারাত্মক এক মন্দাবস্থায় পড়েছে। চাকরি হারিয়েছে রেকর্ড সর্বোচ্চ মানুষ। যদিও চীন বলছে, তারা ভাইরাসটি সফলভাবে প্রতিরোধের মাধ্যমে এই মহামারি সবচেয়ে খারাপ অবস্থা পার করে এসেছে কিন্তু অর্থবহ পুনরুদ্ধার থেকে অনেক দূরে বিশ্ব অর্থনীতি।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্কচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়া ছাড়াও নতুন করে চীনা পণ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। এমন হলে পাল্টা পদক্ষেপ নিতে যে পিছপা হবে না, তেমন ইঙ্গিত এসেছে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকেও। আর এসব বিষয় আরও অনেক সংকটের মধ্যে ফেলে দেবে বিশ্বকে।

নভেল করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারি আকার ধারণ করার আগেই অবশ্য বাণিজ্য বিরোধের অবসানে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র যে চুক্তিতে উপনীত হয়েছিল তারই একটা ভঙ্গুর রুপ ধারণ করে। অনেকেই তখন এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। আর মহামারির পর একে অপরকে দোষারোপ সেই সংকট নিরসনকে প্রায় অসাধ্য করে তুলেছে।

গত জানুয়ারিতে কথিত ‘প্রথম ধাপের’ চুক্তিতে একমত হয় চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। এতে করে উভয় দেশ কিছু পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক প্রত্যাহারে সম্মত হয়। এর ফলে বেইজিং ১৬০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে শুল্ক ছাড়ের সুযোগ পায়। অপরদিকে এই দুই বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি দেয় চীন।


গত জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে প্রথম দফার চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান

করোনার কারণে যে মন্দা শুরু হয়েছে তা না হলেও এটা বাস্তবায়ন করা হতো খুব কঠিন। বাণিজ্য যুদ্ধ শুরুর আগে চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে যে বার্ষিক আমদানি করতো তার চেয়ে এই প্রতিশ্রুতি ছিল অনেক বেশি। চীন যদি অন্যান্য ক্ষেত্রে অনেক কিছু বিসর্জন না দেয় তাহলে এই চুক্তি ‘চ্যালেঞ্জিং’ হবে বলে তখনই আশঙ্কার কথা জানান বিশ্লেষকরা।

ওয়াশিংটনভিত্তিক ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের জন থর্টন চায়না সেন্টারের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ডেভিড ডলার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বলেছেন, ‘দুই দেশের প্রথম ধাপের চুক্তির কারণে উভয় দেশ থেকে পণ্য ক্রয়ের যে লক্ষ্য তৈরি হয়েছিল তা ছিল অনেকটা অবাস্তব, আর এখন তো সেটা অসম্ভবে পরিণত হয়েছে।’ ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর বিজেনেস স্কুলের ভিজিটিং সিনিয়র ফেলো এবয় বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স ক্যাপরি বলছেন, ‘চীনের অর্থনীতিতে এখন ভোক্তার চাহিদা কমেছে। তাই এটা মনে হচ্ছে যে, চুক্তি অনুযায়ী চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে অতিরিক্ত পণ্য আমদানির যে প্রতিশ্রুত দিয়েছিল তা তারা পূরণ করতে পারবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি চীন চুক্তির প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে গিয়ে এটা করতে চায়, যদিও এর সম্ভাবনা অনেক কম; তাহলে এরজন্য পরে ভুগতে হবে চীনকে। কারণ চাহিদা কম থাকার কারণে তাদেরকে অতিরিক্ত এই পণ্য আমদানি করে বিশাল এক হুমকির মুখে পড়তে হবে। যা অবস্থাদৃষ্টে সম্ভব না বলেই মনে হচ্ছে।’

এছাড়া প্রথম পর্যায়ের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার জন্য দুই বছর সময় প্রয়োজন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতে সেই সময় নেই। কারণ আগামী নভেম্বরে তাকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনকে উপলক্ষ করেই তাইতো ট্রাম্প বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে একের অপর এক অভিযোগ তুলেই যাচ্ছেন।

ট্রাম্পও ফক্স নিউজকে ফোনে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে ভিন্নরকম ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, ‘দেখুন, চীনের সঙ্গে আমি একটা কঠিন সময় পার করছি। এই পুরো ঘটনাটা ঘটে যাওয়ার কয়েক মাস আগে আমি দুর্দান্ত একটা বাণিজ্য চুক্তি করেছিলাম। আর তারপর এটা ঘটে এবং এটা একরকম অনেক কিছুকেই পদদলিত করে।’

তবে সিএনএন জানাচ্ছে, বিশেষজ্ঞরা এটা বিশ্বাস করেন যে, চলমান এই বাণিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তির সঙ্গে যুক্ত বেইজিংয়ের কর্মকর্তারা প্রথম ধাপের চুক্তিটি কার্যকর হোক সেটা চান। চীনের প্রধান বাণিজ্য আলোচক ও দেশটির সহকারী প্রধানমন্ত্রী লিউ হে সম্প্রতি মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী স্টিভেন মানচিনসহ অনেক কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করেন।

চীনের প্রধান বাণিজ্য আলোচক এই চুক্তি কার্যকরে উপযুক্ত একটি পরিবেশ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া মঙ্গলবার চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং করোনার উৎপত্তিস্থল উহানে অফিস চালুর করার জন্য মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি হানিওয়েলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, চীনে বৈশ্বিক বাণিজ্যকে স্বাগত জানাচ্ছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত শতাব্দীর ত্রিশের দশকের পর বিশ্ব অর্থনীতি সবচেয়ে বড় মন্দায় পড়েছে। আর এই অবস্থা থেকে উত্তোরণ যে খুব সহজে হবে সেই কথা জানিয়ে সংস্থাটি বলেছে, বিশ্ব অর্থনীতিকে তার গতি ফেরাতে বছরের পর বছর সময় লেগে যাবে।

তাই এমন মুহূর্তে সর্ববৃহৎ অর্থনীতির দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য বিরোধ যদি আবার ভয়াবহ আকার ধারণ করে তাহলে তা হবে বিশ্ব অর্থনীতির জন্য মারাত্মক এক চ্যালেঞ্জ। এটা শুধু বিশ্ব অর্থনীতিকে দূর্বল করে দেবে না এর কারণে অনেক বছর ভুগতে হবে গোটা বিশ্বের অর্থনৈতিক ব্যাবস্থাকে। যার সমাধান সহসাই সম্ভব নয়।

এসএ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৫৮,৫৮,৫৭৩
আক্রান্ত

৩,৫৯,৯৯১
মৃত

২৫,৪০,৮৩৮
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪০,৩২১ ৫৫৯ ৮,৪২৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৭,৫৭,৩৫৫ ১,০২,৮১৫ ৪,৯৪,৭২৪
ব্রাজিল ৪,১৮,৬০৮ ২৫,৯৩৫ ১,৬৬,৬৪৭
রাশিয়া ৩,৭৯,০৫১ ৪,১৪২ ১,৫০,৯৯৩
স্পেন ২,৮৪,৯৮৬ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৬৯,১২৭ ৩৭,৮৩৭ ৩৪৪
ইতালি ২,৩১,৭৩২ ৩৩,১৪২ ১,৫০,৬০৪
ফ্রান্স ১,৮৬,২৩৮ ২৮,৬৬২ ৬৭,১৯১
জার্মানি ১,৮২,৩৮৫ ৮,৫৫৮ ১,৬৩,২০০
১০ ভারত ১,৬৫,৩৬২ ৪,৭১১ ৭০,৭৮৮
১১ তুরস্ক ১,৬০,৯৭৯ ৪,৪৬১ ১,২৪,৩৬৯
১২ ইরান ১,৪৩,৮৪৯ ৭,৬২৭ ১,১২,৯৮৮
১৩ পেরু ১,৩৫,৯০৫ ৩,৯৮৩ ৫৬,১৬৯
১৪ কানাডা ৮৮,৪৬৮ ৬,৮৭৩ ৪৬,৭৬৬
১৫ চিলি ৮৬,৯৪৩ ৮৯০ ৩৬,১৫০
১৬ চীন ৮২,৯৯৫ ৪,৬৩৪ ৭৮,২৮৮
১৭ সৌদি আরব ৮০,১৮৫ ৪৪১ ৫৪,৫৫৩
১৮ মেক্সিকো ৭৮,০২৩ ৮,৫৯৭ ৫৪,৩৮৩
১৯ পাকিস্তান ৬১,২২৭ ১,২৬০ ২০,২৩১
২০ বেলজিয়াম ৫৭,৮৪৯ ৯,৩৮৮ ১৫,৫৭২
২১ কাতার ৫০,৯১৪ ৩৩ ১৫,৩৯৯
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৫,৯৫০ ৫,৯০৩ ২৫০
২৩ বেলারুশ ৩৯,৮৫৮ ২১৯ ১৬,৬৬০
২৪ ইকুয়েডর ৩৮,৪৭১ ৩,৩১৩ ১৮,৪২৫
২৫ সুইডেন ৩৫,৭২৭ ৪,২৬৬ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩৩,২৪৯ ২৩ ১৮,২৯৪
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩২,৫৩২ ২৫৮ ১৬,৬৮৫
২৮ পর্তুগাল ৩১,৫৯৬ ১,৩৬৯ ১৮,৬৩৭
২৯ সুইজারল্যান্ড ৩০,৭৯৬ ১,৯১৯ ২৮,৩০০
৩০ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৫,৯৩৭ ৫৫২ ১৩,৪৫১
৩১ আয়ারল্যান্ড ২৪,৮৪১ ১,৬৩৯ ২২,০৮৯
৩২ ইন্দোনেশিয়া ২৪,৫৩৮ ১,৪৯৬ ৬,২৪০
৩৩ কুয়েত ২৪,১১২ ১৮৫ ৮,৬৯৮
৩৪ কলম্বিয়া ২৪,১০৪ ৮০৩ ৬,১১১
৩৫ পোল্যান্ড ২২,৮২৫ ১,০৩৮ ১০,৫৬০
৩৬ ইউক্রেন ২২,৩৮২ ৬৬৯ ৮,৪৩৯
৩৭ মিসর ২০,৭৯৩ ৮৪৫ ৫,৩৫৯
৩৮ রোমানিয়া ১৮,৭৯১ ১,২৩৫ ১২,৬২৯
৩৯ ইসরায়েল ১৬,৮০৯ ২৮১ ১৪,৬০২
৪০ জাপান ১৬,৬৫১ ৮৫৮ ১৩,৯৭৩
৪১ অস্ট্রিয়া ১৬,৬২৮ ৬৬৮ ১৫,২৮৬
৪২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৬,০৬৮ ৪৮৫ ৮,৯৫২
৪৩ ফিলিপাইন ১৫,৫৮৮ ৯২১ ৩,৫৯৮
৪৪ আর্জেন্টিনা ১৩,৯৩৩ ৫০১ ৪,৬১৭
৪৫ আফগানিস্তান ১৩,০৩৬ ২৩৫ ১,২০৯
৪৬ পানামা ১১,৭২৮ ৩১৫ ৭,৩৭৯
৪৭ ডেনমার্ক ১১,৫১২ ৫৬৮ ১০,১৮০
৪৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,৩৪৪ ২৬৯ ১০,৩৪০
৪৯ সার্বিয়া ১১,৩০০ ২৪১ ৬,৪৩৮
৫০ বাহরাইন ১০,০৫২ ১৫ ৫,৪১৯
৫১ কাজাখস্তান ৯,৫৭৬ ৪৮৯ ৪,৯০০
৫২ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,১৩৪ ৩১৮ ৬,৪৫৭
৫৩ ওমান ৯,০০৯ ৪০ ২,১৭৭
৫৪ আলজেরিয়া ৮,৯৯৭ ৬৩০ ৫,২৭৭
৫৫ নাইজেরিয়া ৮,৭৩৩ ২৫৪ ২,৫০১
৫৬ নরওয়ে ৮,৪০৬ ২৩৬ ৭,৭২৭
৫৭ আর্মেনিয়া ৮,২১৬ ১১৩ ৩,২৮৭
৫৮ বলিভিয়া ৭,৭৬৮ ২৮০ ৬৮৯
৫৯ মলদোভা ৭,৭২৫ ২৮২ ৪,১২৩
৬০ মরক্কো ৭,৬৪৩ ২০২ ৫,১৯৫
৬১ মালয়েশিয়া ৭,৬২৯ ১১৫ ৬,১৬৯
৬২ ঘানা ৭,৩০৩ ৩৪ ২,৪১২
৬৩ অস্ট্রেলিয়া ৭,১৫০ ১০৩ ৬,৫৮০
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৭৪৩ ৩১৩ ৫,৫০০
৬৫ ইরাক ৫,৪৫৭ ১৭৯ ২,৯৭১
৬৬ ক্যামেরুন ৫,৪৩৬ ১৭৫ ১,৯৯৬
৬৭ আজারবাইজান ৪,৭৫৯ ৫৬ ৩,০২২
৬৮ হন্ডুরাস ৪,৬৪০ ১৯৪ ৫০৬
৬৯ সুদান ৪,৩৪৬ ১৯৫ ৭৪৯
৭০ গুয়াতেমালা ৪,১৪৫ ৬৮ ৪৯৩
৭১ লুক্সেমবার্গ ৪,০০৮ ১১০ ৩,৮০৩
৭২ হাঙ্গেরি ৩,৮১৬ ৫০৯ ১,৯৯৬
৭৩ তাজিকিস্তান ৩,৫৬৩ ৪৭ ১,৬৭৪
৭৪ উজবেকিস্তান ৩,৪৪৪ ১৪ ২,৬৯৪
৭৫ সেনেগাল ৩,৩৪৮ ৩৯ ১,৬৮৬
৭৬ গিনি ৩,২৭৫ ২০ ১,৬৭৩
৭৭ থাইল্যান্ড ৩,০৬৫ ৫৭ ২,৯৪৫
৭৮ জিবুতি ২,৯১৪ ২০ ১,২৪১
৭৯ গ্রীস ২,৯০৬ ১৭৫ ১,৩৭৪
৮০ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২,৬৬০ ৬৯ ৩৮১
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৫৫৬ ৩১ ১,৩০২
৮২ বুলগেরিয়া ২,৪৭৭ ১৩৪ ৯৬৫
৮৩ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪৬২ ১৫৩ ১,৭৮১
৮৪ গ্যাবন ২,৩১৯ ১৪ ৬৩১
৮৫ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৫ ১০২ ২,০৫১
৮৬ এল সালভাদর ২,১৯৪ ৩৯ ১,০০২
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,০৭৭ ১২১ ১,৪৮৬
৮৮ কিউবা ১,৯৮৩ ৮২ ১,৭৩৪
৮৯ এস্তোনিয়া ১,৮৫১ ৬৬ ১,৫৭৪
৯০ সোমালিয়া ১,৮২৮ ৭২ ৩১০
৯১ আইসল্যান্ড ১,৮০৫ ১০ ১,৭৯২
৯২ মায়োত্তে ১,৬৭০ ২১ ১,৩১৫
৯৩ লিথুনিয়া ১,৬৫৬ ৬৮ ১,১৯৩
৯৪ কেনিয়া ১,৬১৮ ৫৮ ৪২১
৯৫ কিরগিজস্তান ১,৫৯৪ ১৬ ১,০৬৬
৯৬ শ্রীলংকা ১,৫৩০ ১০ ৭৪৫
৯৭ স্লোভাকিয়া ১,৫২০ ২৮ ১,৩৩২
৯৮ মালদ্বীপ ১,৫১৩ ১৯৭
৯৯ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২২ ১,৪৭৪
১০০ স্লোভেনিয়া ১,৪৭৩ ১০৮ ১,৩৫৬
১০১ হাইতি ১,৩২০ ৩৪ ২৯
১০২ ভেনেজুয়েলা ১,২৪৫ ১৬ ৩০২
১০৩ গিনি বিসাউ ১,১৯৫ ৪২
১০৪ মালি ১,১৯৪ ৭২ ৬৫২
১০৫ লেবানন ১,১৬৮ ২৬ ৬৯৯
১০৬ আলবেনিয়া ১,০৭৬ ৩৩ ৮২৩
১০৭ তিউনিশিয়া ১,০৬৮ ৪৮ ৯৩৮
১০৮ হংকং ১,০৬৭ ১,০৩৫
১০৯ লাটভিয়া ১,০৬১ ২৪ ৭৪১
১১০ জাম্বিয়া ১,০৫৭ ৭৭৯
১১১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,০৪৩ ১২ ১৬৫
১১২ নেপাল ১,০৪২ ১৮৭
১১৩ দক্ষিণ সুদান ৯৯৪ ১০
১১৪ কোস্টারিকা ৯৮৪ ১০ ৬৩৯
১১৫ নাইজার ৯৫৫ ৬৪ ৭৯৬
১১৬ সাইপ্রাস ৯৪১ ১৭ ৫৯৪
১১৭ প্যারাগুয়ে ৯০০ ১১ ৪০২
১১৮ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬৫০
১১৯ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৪৭ ৫৩ ৭১৯
১২০ ইথিওপিয়া ৮৩১ ১৯১
১২১ সিয়েরা লিওন ৮১২ ৪৫ ৩৬১
১২২ এনডোরা ৭৬৩ ৫১ ৬৮১
১২৩ নিকারাগুয়া ৭৫৯ ৩৫ ৩৭০
১২৪ জর্জিয়া ৭৩৮ ১২ ৫৭৩
১২৫ জর্ডান ৭২৮ ৫৮৬
১২৬ চাদ ৭২৬ ৬৫ ৪১৩
১২৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১২৮ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৭০২ ২৩
১২৯ সান ম্যারিনো ৬৭০ ৪২ ৩২২
১৩০ মাদাগাস্কার ৬৫৬ ১৫৪
১৩১ মালটা ৬১৬ ৫০১
১৩২ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৬৫
১৩৩ কঙ্গো ৫৭১ ১৯ ১৬১
১৩৪ জ্যামাইকা ৫৬৯ ২৭৯
১৩৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৬০ ৪৫ ৫১৭
১৩৬ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৭ রিইউনিয়ন ৪৬৫ ৪১১
১৩৮ তাইওয়ান ৪৪১ ৪২০
১৩৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪০৬ ১৫০
১৪০ টোগো ৩৯৫ ১৩ ১৮৩
১৪১ কেপ ভার্দে ৩৯০ ১৫৫
১৪২ রুয়ান্ডা ৩৪৯ ২৪৫
১৪৩ বেনিন ৩৩৯ ১৩৪
১৪৪ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৬
১৪৫ মরিশাস ৩৩৪ ১০ ৩২২
১৪৬ ভিয়েতনাম ৩২৭ ২৭৮
১৪৭ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৪৮ মৌরিতানিয়া ২৯২ ১৬ ১৫
১৪৯ উগান্ডা ২৮১ ৬৯
১৫০ ইসওয়াতিনি ২৭৯ ১৬৮
১৫১ ইয়েমেন ২৭৮ ৫৭ ১১
১৫২ লাইবেরিয়া ২৬৯ ২৭ ১৪৪
১৫৩ মোজাম্বিক ২৩৩ ৮২
১৫৪ মায়ানমার ২০৬ ১২৬
১৫৫ মালাউই ২০৩ ৩৭
১৫৬ মার্টিনিক ১৯৭ ১৪ ৯১
১৫৭ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৮ গুয়াদেলৌপ ১৬১ ১৪ ১১৫
১৫৯ মঙ্গোলিয়া ১৬১ ৪৩
১৬০ জিব্রাল্টার ১৫৮ ১৪৭
১৬১ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৬২ কেম্যান আইল্যান্ড ১৪০ ৬৭
১৬৩ বারমুডা ১৩৯ ৯১
১৬৪ গায়ানা ১৩৯ ১১ ৬৭
১৬৫ জিম্বাবুয়ে ১৩২ ২৫
১৬৬ কম্বোডিয়া ১২৪ ১২২
১৬৭ সিরিয়া ১২২ ৪৩
১৬৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৬ ১০৮
১৬৯ আরুবা ১০১ ৯৭
১৭০ বাহামা ১০০ ১১ ৪৬
১৭১ লিবিয়া ৯৯ ৪০
১৭২ মোনাকো ৯৮ ৯০
১৭৩ বার্বাডোস ৯২ ৭৬
১৭৪ কমোরস ৮৭ ২৪
১৭৫ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৬ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬০
১৭৭ অ্যাঙ্গোলা ৭১ ১৮
১৭৮ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৭৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮০ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮১ বুরুন্ডি ৪২ ২০
১৮২ সেন্ট মার্টিন ৪০ ৩৩
১৮৩ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৪ বতসোয়ানা ৩৫ ২০
১৮৫ ভুটান ৩১
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৫ ১৯
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৫ ১৪
১৮৮ গাম্বিয়া ২৫ ১৯
১৮৯ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯০ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯১ নামিবিয়া ২২ ১৪
১৯২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৯ ১৮
১৯৩ লাওস ১৯ ১৬
১৯৪ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৫ কিউরাসাও ১৮ ১৪
১৯৬ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৭ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৮ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
১৯৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০০ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১১
২০১ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০২ সুরিনাম ১২
২০৩ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৪ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১০
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।