গর্ভধারণ ঠেকাতে স্কুলে বিনামূল্যে কনডম দেবে মার্কিন এক রাজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:৫২ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রের ভারমন্ট অঙ্গরাজ্যের প্রতিটি উচ্চ মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয় এখন শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে কনডম দেবে। সম্প্রতি ভারমন্ট রাজ্য সরকার এ সংক্রান্ত একটি বিলে অনুমোদন দিলে তা আইনে পরিণত হয়েছে। অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণ ঠেকাতে এমন আইন প্রণয়ন করলো রাজ্যটি। খবর ফক্স নিউজ।

নতুন এই আইনে বলা হচ্ছে, ‘অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণ ও যৌন সংক্রমণজনিত রোগ প্রতিরোধ বা হ্রাস করতে প্রতিটি ডিস্ট্রিক্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর জন্য বিনামূল্যে কনডম সরবরাহ করবে।’

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী আইনটিতে বলা হয়েছে, ‘স্কুলে নার্সের কার্যালয়সহ এমন এমন স্থানে কনডম রাখতে হবে যাতে শিক্ষার্থীদের পক্ষে নিরাপদে এবং সহজেই তা নেয়া সম্ভব হয়।’

এই আইন পাসের পর সাধুবাদ জানিয়ে তার পক্ষে নিজেদের সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছে ভারমন্টের শিক্ষা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য বিভাগ। রাজ্যটির গভর্নর ফিল স্কট গত ৫ অক্টোবর এ সংক্রান্ত বিলে স্বাক্ষর করার পর তা আইনে পরিণত হয়েছে। তবে আইনটি কার্যকর হবে আগামী বছরের ১ জুলাই থেকে।

রাজ্যটির স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃক ২০১৯ সালের জরিপ অনুযায়ী, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষা নিয়মিত যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয়। কিন্ত এর মধ্যে মাত্র ৩২ শতাংশ শিক্ষার্থী নিয়মিত কনডম ব্যবহার করে। অনেকে এর কারণে অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণের ঝুঁকি বৃদ্ধির শঙ্কা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিলেন।

বিলটি রাজ্য সরকারের আইনসভায় উত্থাপন করেছিলেন টপার ম্যাকফাউন নামে এক রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সুরক্ষিত রাখা এবং বর্তমানে ক্রমবর্ধমান হারে বাড়তে থাকা গর্ভপাতের সংখ্যা হ্রাস করাই আইনটির উদ্দেশ্য বলে স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান তিনি।

ফক্স নিউজের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৭ দশমিক ২ শতাংশ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ২ দশমিক ৩ শতাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের কনডম সরবরাহ করে। আর ভারমন্ট হলো প্রথম রাজ্য যেখানে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে কনডমন সরবরাহ করতে আইন পাস হলো।

এসএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]