ভালোবাসা দিবসে ভালোবাসায় মাখামাখি, কলকাতার পার্কে উপচেপড়া ভিড়

ধৃমল দত্ত
ধৃমল দত্ত ধৃমল দত্ত , পশ্চিমবঙ্গ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৯:১৫ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
ছবি সংগৃহীত

আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এই দিন এক নতুন অনুভূতির দিন, ভালোবাসার ডানায় ভর করে ভেসে যাওয়ার দিন। এই দিনে প্রিয়জনের সঙ্গে ভালোবাসার জোয়ারে ভেসে যায় মানুষ। এ বছর তার সঙ্গে আবার বাড়তি পাওনা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সরস্বতী পূজা। বসন্তের প্রথম দিনও আজ। মানে, একসঙ্গে তিন উপলক্ষে মেতে ওঠার সুযোগ পেয়েছিল বাংলার মানুষ। সেই সুযোগ হাতছাড়া করেনি তারা।

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে ভালোবাসার রঙে রঙিন হয়ে উঠেছে তিলোত্তমা কলকাতা। নগরীর প্রায় প্রতিটি পার্কেই দেখা গেছে যুগলদের উপচেপড়া ভিড়।

কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল থেকে সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কের কানায় কানায় তরুণ-তরুণীদের ভির। সবুজে মোড়া এক চিলতে জায়গাটিতে দারুণ জমে ওঠে প্রেম। সঙ্গে ঝিলপাড়ের ফুরফুরে হাওয়া মনটাকে ঝেড়েমুছে তকতকে করে দেয় যুগলদের।

আরও পড়ুন>>

পার্কের পাশে অস্থায়ীভাবে তৈরি হওয়া গোলাপের দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের আনাগোনা ছিল বেশ। এই দিনে গোলাপ ব্যবসায়ীদের লাভ হয়েছে বলাই বাহুল্য। অন্যান্য দিনে একেকটি গোলাপ যেখানে পাঁচ রুপিতে বিক্রি হয়, আজ তার দাম উঠেছে ২০ থেকে ২৫ রুপিতে। কেউ কেউ আবার ভালোবাসা প্রকাশে গোলাপের তোড়া উপহার দিচ্ছেন সঙ্গীকে।

কলকাতায় ভ্যালেন্টাইনস ডে

ভিড় ছিল খাবারের হোটেলগুলোতেও। তবে বাঙালি খাবারের চেয়ে চাহিদা বেশি দেখা গেছে চাইনিজ ও মোগলাই খাবারের।

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে বেড়াতে আসা এক যুগল বলেন, আজ সরস্বতী পূজার সঙ্গে একটি বিশেষ দিন। সেই দিনটি দারুণ কাটালাম। আমরা বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসেছি। এখানে প্রচুর ভিড়। এখান থেকে বেরিয়ে ভালো কোনো রেস্টুরেন্টে গিয়ে জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া করবো।

আরও পড়ুন>>

তবে ভালোবাসা দিবস উদযাপনের নামে কারও কারও অশালীন আচরণ পছন্দ করছেন না অনেকে। তাদের দাবি, ভ্যালেন্টাইনস ডে মানেই অশ্লীলতা। কলকাতার নিউ গড়িয়ার বাসিন্দা তপন বাগচীর কথায়, এই দিনটি হলো অশ্লীলতা করার দিন। সরকারের উচিত এই দিনে কলকাতার সব পার্ক বন্ধ করে দেওয়া। তাহলে এই অশ্লীলতা কিছুটা কমবে।

ডিডি/কেএএ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।