সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বৈষম্যমূলক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে রুল
লিঙ্গ ও ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্যমূলক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা কেন বেআইনি ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া সরকারকে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না যাতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে নিয়োগের ক্ষেত্রে বৈষম্যবিরোধী নির্দেশিকা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হয়, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
এ সংক্রান্ত বিষয় এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ নির্দেশনা দেন।
আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন এবং ড. শরীফ ভুঁইয়া। তাদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী কারিশমা জাহান ও প্রিয়া আহসান চৌধুরী।
এর আগে ২৬ জানুয়ারি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি পিএলসি কর্তৃক প্রকাশিত একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে এ রিটটি দায়ের করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ, লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্স পদে শুধু ‘পুরুষ’ এবং ‘প্র্যাকটিসিং মুসলিম’ প্রার্থীদের আবেদন করতে বলা হয়েছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রিটটি করা হয়।
আদালত সরকারকে অন্তর্বর্তী নির্দেশনাও দিয়েছে, যার মাধ্যমে উক্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে অনুসন্ধান করে বৈষম্যমূলক শর্তসমূহ প্রত্যাহার এবং এ ধরনের চর্চা অব্যাহত না থাকে তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বৈষম্য রোধে কার্যকর নির্দেশিকা বা প্রক্রিয়া প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ সম্পর্কে তিন মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এফএইচ/এমআইএইচএস