গুমের মামলায় ব্যারিস্টার আরমানের জেরা আজ
র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দেওয়া ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম আরমানের জেরা আজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ব্যারিস্টার আরমানের জেরার জন্য আজ রোববার (৮ মার্চ) দিন ঠিক করেন। প্রসিকিউটর শাইখ মাহাদী বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারির আদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ব্যারিস্টার আরমানের জেরার জন্য ২৫ ফেব্রুয়ারি দিন নির্ধারণ করেন। কিন্তু নির্ধারিত দিনে ব্যারিস্টার আরমানকে জেরার জন্য আদালতে উপস্থিত করতে পারেনি প্রসিকিউশন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সেটি শুনানির জন্য রয়েছে।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারিও আরমানের ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারণে জেরার জন্য তাকে আদালতে হাজির করতে পারেনি প্রসিকিউশন।
গত ২১ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন ব্যারিস্টার আরমান। সেদিন নিজের গুমজীবনের আদ্যোপান্ত ও বিস্তারিত তথ্য তিনি আদালতে তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট রাতে তাকে বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিচয়ে অপহরণ করা হয়।
টিএফআই সেলে গুমের দায়ে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পাঁচটি অভিযোগ গঠন করা হয়। সেদিন অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়।
টিএফআই সেলে গুমের ঘটনায় ১৭ আসামির মধ্যে ১০ জন গ্রেফতার হয়েছেন। তারা হলেন—কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, কর্নেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, কর্নেল কে এম আজাদ, কর্নেল মো. কামরুল হাসান, কর্নেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আল মোমেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারোয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান জুয়েল ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন।
এ মামলার পলাতক সাত আসামি হলেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশিদ হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর-রশিদ এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. খায়রুল ইসলাম।
এফএইচ/এমএমকে