ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আপেল মাহমুদ ৩ দিনের রিমান্ডে
রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আপেল মাহমুদকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১১ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন শুনে এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আপেল মাহমুদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে গুলিস্তানের গোলাপ শাহ মাজার এলাকা থেকে আপেল মাহমুদকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
একই দিনে শাহবাগ থানার এসআই সহিদুর রহমান তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন।
নির্ধারিত দিনে আপেল মাহমুদকে আদালতে হাজির করা হলেও তার পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে শাহবাগ থানাধীন গোলাপ শাহ মাজার সংলগ্ন একটি মসজিদের প্রধান ফটকের সামনে নিষিদ্ধ কার্যক্রমে জড়িত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও উসকানিমূলক স্লোগান দিচ্ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাহবাগ থানা পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশ উপস্থিতি টের পেয়ে অনেকেই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া করে ঘটনাস্থল থেকে আপেল মাহমুদকে আটক করা হয়। তবে অন্যরা কৌশলে পালিয়ে যান।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, পলাতক ব্যক্তিদের নির্দেশ ও আর্থিক সহায়তায় তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো। এ ঘটনার পরদিন শনিবার শাহবাগ থানার এসআই মো. তৌফিক হাসান বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
এমডিএএ/বিএ