ঢাকা বার নির্বাচনে দ্বিতীয় দিনের ভোট চলছে, বাকি ৮৬.৭৩ শতাংশ ভোট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:২৫ এএম, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির নির্বাচনের দ্বিতীয় দিনের ভোটগ্রহণ চলছে/ছবি জাগো নিউজ

ঢাকা আইনজীবী সমিতির (ঢাকা বার) ২০২৬-২০২৭ কার্যকরী কমিটির নির্বাচনের দ্বিতীয় দিনের ভোটগ্রহণ চলছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে দ্বিতীয় দিনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা বিরতি থাকবে। এরপর বিকেল ৫টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে।

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ২০ হাজার ৭৮৫। প্রথম দিন বুধবার ভোট দিয়েছেন ২ হাজার ৭৫৯ জন। অর্থাৎ প্রায় ১৩ দশমিক ২৭ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে এখনো প্রায় ৮৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ ভোট বাকি রয়েছে।

jagonews24

সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট বোরহান উদ্দিন বলেন, প্রথম দিনের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় দিনেও সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের আশা করছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের সমর্থকরা সমিতির কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান নিয়ে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণে ব্যস্ত। তারা আগত ভোটারদের নিজ নিজ প্রার্থীর ব্যালট নম্বর দেখিয়ে ভোট চাইছেন। কেন্দ্রের আশপাশে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

ভোট দিতে আসা আইনজীবীরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর নির্বাচন হওয়ায় সবার মধ্যে বাড়তি আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা করছেন।

আরও পড়ুন
আইনজীবীদের নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে ‘৪ ম্যাজিক ফ্যাক্টর’
ঢাকা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের প্রথম দিনে ভোট ১৩.২৭ শতাংশ

ভোট দিতে আসা অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, প্রথম দিনে ব্যস্ততার কারণে ভোট দিতে পারিনি। আজ সময় নিয়ে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করলাম। আশা করছি, একটি সুন্দর নির্বাচন হবে।

তিনি আরও বলেন, এখনো অনেক ভোট বাকি। সবাই যদি বিকেল ৫টার মধ্যে এসে ভোট দেন, তাহলে অংশগ্রহণ আরও বাড়বে।

অ্যাডভোকেট নাসরিন সুলতানা বলেন, দীর্ঘদিন পর এমন উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হচ্ছে। আশা করি, শেষ পর্যন্ত একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য ফলাফল আসবে। আমরা চাই, নির্বাচিতরা আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করবেন।

jagonews24

সমিতি কার্যালয় সূত্র জানায়, সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৫৪ জন প্রার্থী। প্রতি বছরের রেওয়াজ অনুযায়ী ফেব্রুয়ারির শেষ দুই তারিখে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও নানা কারণে তা পিছিয়ে যায়। সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে। প্রায় ১৪ মাস পর নির্বাচন হওয়ায় আইনজীবীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।

এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থি কোনো প্যানেল অংশ নিচ্ছে না, যা ভোটের সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য ভোট আয়োজনের জন্য সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এমডিএএ/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।